advertisement
আপনি দেখছেন

মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনে কাল ডাবল সেঞ্চুরির পরও বেশ সতেজ মনে হচ্ছিল মুশফিকুর রহিমকে। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাবেক অধিনায়ক বলছিলেন, সুযোগ পেলে ট্রিপল সেঞ্চুরির লক্ষ্যে ব্যাট করতেন। মুশফিক 'সুযোগ' পেলে নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের লিডটাও বাড়তো। তবে বাংলাদেশি বোলাররা দেখিয়ে দিলেন, জিম্বাবুয়েকে হারাতে এর চেয়ে বেশি লিড প্রয়োজন ছিলো না! বাংলাদেশও ইনিংস ও ১০৬ রানের বিশাল জয় পেয়েছে।

nayeem hasan celebrates a dismissal

মুশফিক ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর ৬ উইকেটে ৫৬০ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ। যাতে ২৯৫ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। এই রানের জবাব দিতে নেমে ১৮৯ রানে গুটিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ের দ্বিতীয় ইনিংস। 

জয়টা নিশ্চয়ই বড় স্বস্তি দেবে টাইগারদের। শেষ ছয় টেস্টের পাঁচটিতেই যে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে আফগানিস্তানের মতো নবীন দলের বিপক্ষে হেরেছে টাইগাররা। ভারতের বিপক্ষে দুই ও পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্টে সেভাবে দাঁড়াতেই পারেনি টাইগাররা। ফলে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। এই জয়ে তাতে কিছুটা প্রলেপ পড়ল ।

এতে একটা রেকর্ডও হয়েছে বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই প্রথম ইনিংস ব্যবধানে জিতল টাইগাররা। সব মিলিয়ে মাত্র দ্বিতীয়বার ইনিংস ব্যবধানে জিতল বাংলাদশে। আগের জয়টা ছিল উইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০১৮ সালের নভেম্বরে ঢাকায় ক্যারিবীয়ানদের বিপক্ষে ইনিংস ও ১৮৪ রানের ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

আজ ইতিহাসগড়া জয়ে ব্যাটিং বোলিং দুই বিভাগই ভালো করেছে বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিমের ডাবল সেঞ্চুরি, মুমিনুল হকের সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্তদের হাফসেঞ্চুরিতে বড় রান তুলতে পেরেছে টাইগাররা। যে স্পিন ডিপার্টমেন্ট নিয়ে অনেকদিন ধরেই হাহাকার চলছিল সেখানে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে টাইগরারা। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৫ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশি স্পিনাররা।

২ উইকেটে ৯ রান নিয়ে আজ দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল জিম্বাবুয়ে। ইনিংস পরাজয় এড়াতে হলে বড় জুটি গড়তে হতো জিম্বাবুয়ানদের। সেটা মোটেই পারেনি সফরকারী দলটি। তাইজুল, নাঈমের স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তারা।

ওয়ানডে মেজাজে খেলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান করেছেন মারুমা। নাঈম ২৪ ওভার বোলিং করে ৮২ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নিয়েছেন। তাইজুল ২৪.৩ ওভারে ৭৮ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট।

sheikh mujib 2020