advertisement
আপনি দেখছেন

একটা সময় তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন মুশফিকুর রহিম। ২০১৫ বিশ্বকাপের আগে তাকে সরিয়ে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক করা হয়। পরে টেস্ট থেকেও মুশফিককে সরিয়ে সাকিব আল হাসানকে অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। টেস্ট থেকে মুশফিককে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। সেই মুশফিককে আবারও ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

angry mushfiqur rahim

কদিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন যেমনটা জানিয়েছেন তাতে বলে দেয়া যায়, আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে মাশরাফি বিন মর্তুজাকে। এদিকে, সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে এখনো প্রায় আট মাস বাকি। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের ফর্মও প্রত্যাশিত নয়। সব মিলিয়ে ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে মুশফিকুর রহিমের নাম সামনে চলে আসছে।

সাবেক অধিনায়কও জানালেন, প্রস্তাব পেলে ভেবে দেখবেন তিনি। সম্প্রতি দেশীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মুশফিক বলেন, ‘অধিনায়কত্বের ব্যাপারটা আমার হাতে নেই। এটা অনেক সম্মানের একটা কাজ। সবারই একটা স্বপ্ন থাকে নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার এবং নেতৃত্ব দেয়ার। এটাতো অবশ্যই সবার কাছে আসে না। তো এরকম কোনো প্রস্তাব যদি ভবিষ্যতে আসে তাহলে আমি ভেবে দেখতে পারি।'

জিম্বাবুয়ে সিরিজ শেষ হতে বেশি সময় বাকি নেই। তবে কী মুশফিককে প্রস্তাব দিয়ে ফেলেছে বিসিবি? এমন প্রশ্ন এড়িয়ে যেতে চাইলেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান ও অন্যতম পরিচালক জালাল ইউনুস। তিনি বলেন, ‘ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে এখনই চিন্তা ভাবনা করতে হবে। আবার অধিনায়কত্ব নিয়ে যদি বলেন, সেটাও এখন থেকে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে হবে।'

২০১১ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ছিলেন মুশফিক। এই সময়ে ৩৭টি ওয়ানডে খেলে ১১টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। ২৩ টোয়েন্টিতে জয় ৮টিতে।

তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ টেস্ট খেলেছে ২০১১ সাল থেকে শুরু করে ২০১৭ সাল পর্যন্ত। এই সময়ে ৩৪ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে সাতটিতে।