advertisement
আপনি দেখছেন

স্বপ্নের প্রথম সেঞ্চুরিটা করেছিলেন এশিয়া কাপের ফাইনালে। ২০১৮ সালে ভারতের বিরুদ্ধে তিন অংক ছোঁয়ার পর দ্বিতীয় শতকের জন্য বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে লিটন দাসকে। অবশেষে শতকের দেখা পেয়েছেন লিটন। ৩৫তম ম্যাচে এসে ঘুচিয়েছেন সেঞ্চুরিবন্ধ্যত্ব।

liton bangladeshi opener 2020 

আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বিধ্বংসী এক সেঞ্চুরি করেছেন। তার এবারের শতকটা ছিল বেশ গোছানো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আক্ষেপ নিয়ে বাইশ গজ ছাড়তে হয়েছে ডানহাতি ওপেনারকে। ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ইনজুরি নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান লিটন।

পরে অবশ্য জিম্বাবুয়ের ইনিংসের ১৮তম ওভারে মাঠেও ফিরে এসেছেন তিনি। ১২৬ রানের ইনিংসের সুবাধে অবধারিতভাবেই ম্যাচ সেরা হয়েছেন লিটন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিটন জানালেন শনিবার রাত থেকে নাকি স্নায়ুচাপে ভুগছিলেন তিনি!

এই স্নায়ুচাপ ব্যাটিংয়ে ইতিবাচক হয়ে যায় তার জন্য। লিটন বলেছেন, ‘অনেকে হয়তো বোঝেননি, আমি অনেক নার্ভাস ছিলাম আজকে। কালকে রাত থেকেই স্নায়ুচাপে ভুগছিলাম।’ কেন স্নায়ুচাপে ভুগছিলেন সেটার নেপথ্য কারণও বলেছেন লিটন, ‘আমি অনেক দিন থেকেই ওয়ানডে খেলছি না। সবশেষ শ্রীলঙ্কায় খেলিনি।’

লিটন আরো বলেছেন, ‘জানতাম আজকে আমি ওপেন করব। তাই চাপটাও বেশি ছিল। ওটাই মনে হয় মাঠে ইতিবাচক হিসেবে কাজ করেছে। যেহেতু নার্ভাস, আমাকে আরও মনোযোগ নিয়ে নিয়ে খেলতে হবে। সব শট খেলা যাবে না। যদিও পারি; তবু সব খেলা যাবে না। নাভার্সনেসের কারণে উইকেটে যতক্ষণ ছিলাম, ফোকাস খুব ভালো ছিল। আমি বিশ্বকাপে পাঁচে খেলেছি। আমি তো সাধারণত ওপেনই করি। অনেকদিন পর বলেই নার্ভাস ছিলাম।’

তাহলে কি নির্ভার হয়ে খেললে কি ইনিংস লম্বা করা যায় না? লিটন অবশ্য তাতে একমত নন। তার মতে আত্মবিশ্বাসটাই গুরুত্বপূর্ণ। যা বড় ইনিংস খেলে সহায়তা করে। যেভাবেই হোক, লিটন আজ দারুণ ব্যাটিং করেছেন। তার শতকের ওপর দাঁড়িয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রেকর্ড ৩২১ রান তুলেছে বাংলাদেশ। মাশরাফিদের জয়টিও ওয়ানডে ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে বড় জয় (১৬৩ রানে)।