advertisement
আপনি দেখছেন

পাকিস্তান সফরে না গেলে একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হবে মুশফিকুর রহিমকে। দ্বিতীয় ওয়ানডের আগের দিন বিসিবির তরফ থেকে এমন বার্তাই নাকি দেওয়া হয়েছিল অভিজ্ঞ এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানকে। তবে মুশি সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। শেষ অবধি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছেন তিনি; ব্যাট হাতে করেছেন অর্ধশতক।

mushfiqur rahim 2020 1

হুমকিটা ছিল বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপনের। প্রধান নির্বাচক মিনাহাজুল আবেদন নান্নু ও প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর মাধ্যমে মুশিকে বার্তাটা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যদিও আজ নান্নু দাবি করলেন, মুশিকে কোনো হুমকি দেওয়া হয়নি। গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচক।

সিলেট স্টেডিয়ামে নান্নু বলেছেন, ‘এই সিরিজের পর পাকিস্তান সফর আছে আমাদের। সে হিসাবে মুশফিককে আমরা ডেকেছিলাম, ওর সিদ্ধান্ত জানার জন্য। ও সরাসরি সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল। ব্যাপারটা ওখানেই শেষ হয়ে গেছে। আবার ডাকলাম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট ও ওয়ানডের জন্য বিবেচনা করে।’

প্রধান নির্বাচক আরো বলেছেন, ‘আমরা কিছু খবরে দেখেছি (মুশফিককে হুমকি দেওয়া হয়েছে), খবরটা ঠিক না। আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা ওকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম (পাকিস্তানে) যাবে কিনা। টিম ম্যানেজমেন্ট ও আমরা একসাথে বসেছিলাম। আমাদের সঙ্গে প্রধান কোচও ছিলেন। ও সরাসরি ‘‘না’’ বলেছে।’

দ্বিতীয় ম্যাচে মুশফিক খেলেছেন। তৃতীয় ম্যাচে যে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হবে সেটা অবশ্য আগে থেকেই জানা ছিল। নান্নু বলেছেন, ‘আজ (মঙ্গলবার) সিরিজ জিতলে মুশফিকের শেষ ম্যাচে খেলার সম্ভাবনা নেই। আমরা চাচ্ছি ৩ এপ্রিল পাকিস্তানের সঙ্গে একমাত্র ওয়ানডে ম্যাচটার কথা মাথায় রেখে শেষ ম্যাচের একাদশ খেলাতে।’

মুশিকে নিয়ে তোলপাড় হওয়ার দায়টা উল্টো গণমাধ্যমের ওপর চাপালেন প্রধান নির্বাচক, ‘ও রকম কিছু না (হুমকি দেওয়া হয়নি)। আমরা টেস্ট সিরিজের আগে-পরে কিছু নিউজ দেখেছিলাম, ও যাবে কি না। একটা পত্রিকাতেও দেখেছিলাম ও যাবে। তাই ওকে ডেকে এনে আমরা আবার জিজ্ঞেস করি যে, ও সিদ্ধান্ত পাল্টেছে কিনা। ও সরাসরি বলে দিয়েছে, ও পাকিস্তানে যাবে না।’