advertisement
আপনি দেখছেন

হাতছানি দিচ্ছিল দারুণ এক অর্জন। বোলারদের দায়িত্বহীন পারফরম্যান্সে তা পড়ে গিয়েছিল সংশয়ের মুখে। অবশেষে থ্রিলার ম্যাচে স্বস্তির জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নাটকীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে টাইগাররা হারিয়েছে চার রানে।

gushfiqur rahim completes a run out

আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে আট উইকেটে ৩২২ রানের পাহাড় গড়ে জিম্বাবুয়ে। জবাব দিতে নেমে সমান ওভার ও উইকেটে ৩১৮ রান তোলে সফরকারীরা। তাতেই দারুণ একটা রেকর্ড হয়ে গেল মুশফিকুর রহিমের। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি ছুঁয়ে ফেললেন ওয়ানডেতে শততম জয়ের মাইলফলক।

জয়গুলোর বেশ কয়েকটাতেই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রেখেছেন এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান। আজ স্মরণীয় ম্যাচে তিনি ছিলেন পার্শ্বনায়কের ভূমিকায়। জাতীয় দলের দীর্ঘ এই পথচলায় তিনি এখনো আপন মহিমায় ভাস্বর।

স্বপ্নের ম্যাচে মুশি আজ ব্যাট হাতে করেছেন হাফসেঞ্চুরি। যদিও বাংলাদেশ তিন শ ছাড়িয়েছে তামিম ইকবালের বিস্ফোরক সেঞ্চুরিতে। বাঁ-হাতি ওপেনার তামিম আউট হন ক্যারিয়ার সেরা ১৫৮ রানে। দ্বিতীয় দলীয় সর্বোচ্চ ৫৫ রান মুশির।

তামিমের রাজসিক প্রত্যাবর্তনে অনেকটাই আড়ালে চলে গেছেন মুশফিক। ২১৮তম ম্যাচে এসে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছে গেছেন তিনি। তার আগে বাংলাদেশ দলের কেউ পাননি শততম জয়ের স্বাদ। তবে স্বপ্নপূরণের খুব কাছেই আছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি।

একদিনের ক্রিকেটে তার জয় ৯৮টি। এর মধ্যে আফ্রিকা একাদশের বিরুদ্ধে এশিয়া একাদশের হয়ে দুটি ওয়ানডে জিতেছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। বাংলাদেশের হয়ে ২১৭টি ম্যাচ খেলা ম্যাশের জয় সংখ্যা ৯৬টি।

ম্যাশ-মুশির পেছনে আছেন সাকিব আল হাসান। সেঞ্চুরি থেকে ছয় ধাপ দূরে আছেন নির্বাসনে থাকা এই অলরাউন্ডার। তার সমান ম্যাচ খেলা তামিম আজ পেয়েছেন ৮৭তম জয়ের দেখা। ১৮৭ ম্যাচে ৮৪টি জয় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের।

পঞ্চপাণ্ডবের বাইরে বাংলাদেশ দলের হয়ে দুজনের জয়ের হাফসেঞ্চুরির নজির আছে। তারা হলেন আব্দুর রাজ্জাক (৬২) ও মোহাম্মদ আশরাফুল (৫৫)। সার্বজনীন রেকর্ডের হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক ২৬২টি ওয়ানডে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। অন্তত দুশো জয় পাওয়া এমন ক্রিকেটার আছেন আরো দশজন।