advertisement
আপনি দেখছেন

সিরিজের মীমাংসা হয়ে গেছে আগেই। প্রথম দুই ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটা ছিলো দুই দলের জন্য শুধুই নিয়মরক্ষার। তবু আনুষ্ঠানিকতার এই ম্যাচটার তাৎপর্য অনেক।

mashrafe afif

তৃতীয় ওয়ানডেটা অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি বিন মর্তুজার বিদায়ী ম্যাচ বলে নয়। আরো তিনজনের কাছে সিলেটে সিরিজের শেষ ম্যাচটা বিশেষকিছুর উপলক্ষ্য। মাশরাফির যেখানে সীমান্ত সেখানেই যে বসন্ত দলের দুই তরুণ ক্রিকেটারের!

কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে আগেই অভিষেক হয়েছে মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও আফিফ হোসেন ধ্রুবর। প্রথমজন পাঁচটি এবং দ্বিতীয়জন খেলেছেন ১০টি ম্যাচ। ওয়ানডে ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হলো দুজনের। কিন্তু তাদের অভিষেকটা আড়ালে চলে গেল দুই ওপেনার লিটন দাস ও তামিম ইকবালের তাণ্ডব এবং মাশরাফির বিদায়ে।

বাংলাদেশ ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার আফিফ। ইনিংসের শেষ বলে উইলিয়ামসকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘেরে ফিরে যান এই তরুণ। চার বলে সাত রানে আউট হন আফিফ। ওপেনার নাঈম তো ব্যাট ধরারই সুযোগ পাননি!

আফিফ অবশ্য বোলিং করার সুযোগ পেয়েছেন। খারাপ করেননি তিনি। দুই ওভারে ১২ রান খরচায় নিয়েছেন এক উইকেট।

ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে দারুণকিছু করতে না পারলেও সতীর্থরা মাশরাফিকে দুই হাত ভরে দিয়েছেন। প্রিয় অধিনায়ককে বিদায়ী অর্ঘ্য হিসেবে উপহার দিয়েছেন ১২৩ রানের জয় (ডি/এল পদ্ধতিতে); পড়িয়েছেন অসংখ্য রেকর্ডের মালা। তাতেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ভূমিকায় জয়ের হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ হলো মাশরাফির।

চাইলে ম্যাচটা অবশ্য ভুলে যেতে পারেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলর। আজ ১৭তম জিম্বাবুইয়ান ক্রিকেটার হিসেবে ১০০তম ম্যাচ খেলার মাইলফলক ছুঁয়েছেন তিনি। বিশেষ এই ম্যাচে ১৪ রান করে আউট হয়ে যান টেলর।