advertisement
আপনি দেখছেন

মাশরাফি বিন মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বিদায়ী ম্যাচের দলে ছিলেন না সাকিব আল হাসান। মাঠে থেকেও খেলতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। মুশি যাহোক মাঠে ছিলেন; সাকিবের গ্যালারিতে থাকারও উপায় ছিল না। নড়াইল এক্সপ্রেসের আক্ষেপ এখানেই। বিদায়লগ্নে সবাইকেই কাছে পেলেন কেবল একজনকে ছাড়া। সেই তিনি সাকিব; এক সময়ের তার সহকারী।

sakib mashrafe

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়েকে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে হারিয়ে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি পেয়েছেন ৫০তম ওয়ানডে জয়ের স্বাদ। ম্যাচ শেষে এই মাইলফলক এবং ম্যাশের বিদায়পর্বটা উদযাপন করেছেন সবাই। থাকলেন না কেবল পঞ্চপাণ্ডবের একজন। অধিনায়ক হিসেবে ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে সাকিবকে না পাওয়াটা তাই মাশরাফির জন্য হতাশার এবং কষ্টের।

শুক্রবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘এটা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। ছেলেরা ছিল অসাধারাণ। তারা দলের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছে। আমি দলের সব ছেলেদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। বিশেষ করে সাকিবকে, ও যদি এখানে থাকতো তাহলে অন্যরকম লাগতো। সবাইকে ধন্যবাদ।’

মাশরাফির বিদায়ী ম্যাচে জিম্বাবুয়ের গলায় রেকর্ডের মালা পড়িয়েছে বাংলাদেশ। বৃষ্টিভেজা ম্যাচে ডাক ওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ১২৩ রানে জিতেছে টাইগাররা। এই ম্যাচের আগে আবেগী এক প্রতিক্রিয়ায় মাশরাফিকে শুভকামনা জানান সাকিব। তার মাঠে আসতে না পারার সম্ভাব্য কারণ আইসিসির নিষেধাজ্ঞা। এক বছর ক্রিকেটের কোনো কার্যক্রমে থাকতে পারবেন না সাকিব। মাঠেও উপস্থিত হতে পারবেন না তিনি।