advertisement
আপনি দেখছেন

ওয়ানডে ক্রিকেটে টপ অর্ডারে নিয়মিতই ব্যাটিং করেন সৌম্য সরকার। কিন্তু কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় থিতু হতে পারছেন না বাঁ-হাতি এই ব্যাটসম্যান। কখনো ছয়-সাতে ব্যাটিং করেছেন, কখনো বা তিন নম্বর পজিশনে। ওপেনিংয়েও দেখা গেছে তাকে।

soummay and riyad

তবে পজিশন যেখানেই হোক আপত্তি নেই সৌম্যর। দলের প্রয়োজনে ব্যাট করতে প্রস্তুত আছেন তিনি। কিন্তু চেষ্টা করছেন টপ অর্ডারে জায়গা ধরে রাখার। সোমবার জিম্বাবুয়ের বিপ্ক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিন নম্বরে নেমে ৩২ বলে ৬২ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলেছেন সৌম্য।

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই সংস্করণে এটাই তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। টপ অর্ডারে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন সৌম্য। ম্যাচ শেষ সংবাদ সম্মেলনে সৌম্য জানালেন এই সুযোগটার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি, ‘আমি তো সবসময় টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানই। দলের প্রয়োজনে নিচে ব্যাট করতে হয়েছে। চেষ্টা করেছি যে, যখন যেখানে খেলি, নিজেকে প্রমাণ করার।’

সৌম্য আরো বলেছেন, ‘অনেক দিন পর আজকে (সোমবার) তিনে ব্যাট করেছি। চাওয়া ছিল যেন নিজের জায়গাটা আবার ধরতে পারি। সেটিই মাথায় ছিল। পাকিস্তানে টপ অর্ডারে ব্যাট করার সুযোগ পাইনি। ভারতে তিনেই খেলেছিলাম, ওখানে ৩০-৪০ রান যা করেছিলাম, সেগুলো বড় করতে পারলে হয়তো পাকিস্তানে নিজের জায়গায় থাকতে পারতাম। চেষ্টা করছি ধরে রাখার, যেন পরের ম্যাচটি এখানেই খেলতে পারি।’

ওয়ানডেতে সৌম্য যেমন দুর্দান্ত, টি-টোয়েন্টিতে ঠিক বিপরীত। ৪৯তম ম্যাচে এসে তিনি পেয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি। তার আগে গত বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫০৬ রান এসেছিল তার ব্যাটে। এই উন্নতির নেপথ্য কারণ জানালেন সৌম্য, ‘উন্নতির চেষ্টা করছি। আগে স্ট্রাইক রেট অনেক বেশি রাখার চেষ্টা করতাম। এখনও চেষ্টা করি, তবে সব ওভারে শট খেলতে যাই না। বোলার পছন্দ করে বা পরিস্থিতি অনুযায়ী চেষ্টা করি।’

সৌম্য তার চেষ্টায় সফল হোক এটাই প্রত্যাশা ভক্ত-সমর্থকদের। কারণ তাতে যে বাংলাদেশেরও লাভ।