advertisement
আপনি দেখছেন

এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ওয়ানডে সিরিজেও মাথা তুলতে পারেনি সফরকারীরা। এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তাদের একই পরিণতি দিকে নিয়ে যাচ্ছে টাইগাররা। আজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে অল্পতেই বেঁধে ফেলেছে স্বাগতিক শিবির।

bangladesh celebrate a wicket 2020

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে জিম্বাবুয়ের হাতে ব্যাট তুলে দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। পূর্ণাঙ্গ সিরিজে প্রথমবার আগে ব্যাটিংয়ে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি উইলিয়ামস-টেলররা। টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেটে ১১৯ রান তুলতে সক্ষম হয়েছে জিম্বাবুয়ে।

এদিন তিন পরিবর্তন নিয়ে একাদশ সাজায় বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশ্রামে পাঠানো হয় দেশসেরা ওপেনার ও টাইগাদের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। তার জায়গায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয়েছে হাসান মাহমুদের। বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথমবার বল করতে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি তিনি। চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন মাহমুদ।

একই বোলিং ফিগার মুস্তাফিজুর রহমানেরও। তবে কাটার মাস্টারের দুটি শিকার রয়েছে। আল আমিন হোসেন আরো দুর্দান্ত পারফর্ম করলেন। চার ওভারে ২২ রান খরচায় নিয়েছেন দুটি উইকেট। এ ছাড়া মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মেহেদি হাসান ও আফিফ হোসেন একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

জিম্বাবুয়ে দলীয় সংগ্রহ এক শ ছাড়িয়েছে ব্রেন্ডন টেলরের ব্যাটের ওপর দাঁড়িয়ে। সফরজুড়ে ব্যর্থ থাকা টেলর আজ ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেছেন। সফরে আগের পাঁচ ম্যাচ মিলে ৪৪ রান করা টেলর আজ অজেয় ছিলেন ৫৮ রানে। ইনিংসে ছয়টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা মেরেছেন জিম্বাবুইয়ান ওপেনার।

দ্বিতীয় দলীয় সর্বোচ্চ ৩৩ বলে ২৯ রান এসেছে ক্রেইগ আরভিনের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া সিকান্দার রাজা ১২ এবং তিনাসে কামুনহুকাম্বে ১০ রানে আউট হয়েছেন। অথচ অতিথিদের শুরুটা কি দুর্দান্তই না ছিল। ১১ ওভার শেষে এক উইকেটে ৬৯ রান করেছিল তারা। এরপরই খেই হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুইয়নরা।

সফরকারীদের নাগালে বেঁধে রেখে লক্ষ্যটা হাতের নাগালে রেখেছেন বোলাররা। এবার বাকি কাজটা সারার দায়িত্ব ব্যাটসম্যানদের।

sheikh mujib 2020