advertisement
আপনি দেখছেন

প্রায় ১১ বছর আগে লাহোরে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের বাসে বোমা হামলা চালিয়েছিল সন্ত্রাসীরা। এরপর একরকম নির্বাসনে চলে গিয়েছিল পাকিস্তানের ক্রিকেট। অনেককিছুর পর দেশটিতে ফিরেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। কয়েকটা দল পাকিস্তান সফর করেও এসেছে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো পাকিস্তান সফর এড়িয়ে যাচ্ছে।

moeen ali england

ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলির দুঃখটা এখানেই। তার মতে বিশ্বের কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়। অঘটন ঘটতে পারে যে কোনো দেশেই। বাংলাদেশের জামাই দাবি করলেন, পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। মঈন মনে করেন পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা দেশটির প্রতি অন্যায় হওয়ার শামিল।

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) পুরো আসর হচ্ছে পাকিস্তানে। এই টুর্নামেন্টে এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি ক্রিকেটার অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন মঈন। পিএসএলে ৩২ বছর বয়সী ইংলিশ ক্রিকেটার খেলছেন মুলতান সুলতানসের জার্সিতে। এখানে এসে আরো একবার পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রত্যয়ন পত্র দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার মঈন বলেছেন, ‘আমার মনে হয় (পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা) একটু অন্যায়ই করা হচ্ছে। কেননা পৃথিবীর কোথাও আপনি নিরাপদ নন। অনাকাঙ্খিত কিছু যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গায় ঘটতে পারে। এমনকি তা ইংল্যান্ডেও হতে পারে। এমনিতে ধারনা করা হয়, এখানে (পাকিস্তানে) আসাটা নিরাপদ নয়।’

পাকিস্তানের নিরপত্তা প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মঈন সামনে আনলেন ২০১৬ সালের ইংল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরকে। প্রায় চার বছর আগে ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজেন হামলার সূত্রে ধরে ইংলিশরা সফরে আসতে গড়িমসি করেছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে এসে সবুজ সংকেত দেওয়ার পর ইংলিশরা সফর করে।

তবু দলটির নিয়মিত অধিনায়ক ইয়ন মরগান আসেননি। ওই সময় দলের সঙ্গে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন মঈন। তিনি প্রশংসা করলেন বাংলাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থারও, ‘কোনো জায়গাই নিরাপদ নয়। কিছু জায়গায় আপনি হয়তো নিজেকে বেশি নিরাপদ ভাববেন। পাকিস্তানে নিরাপত্তা ব্যবস্থার খুব উন্নতি হয়েছে। কয়েক বছর আগে বাংলাদেশেও এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম। ওখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দারুণ ছিল। যদিও কিছু ক্রিকেটার ওই সফর থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।’