advertisement
আপনি দেখছেন

সময়ের সেরা পেসারদের একজন মিচেল স্টার্ক। বাইশ গজে টানা গতির ঝড় তুলে ব্যাটসম্যানদের কাছে রীতিমতো ত্রাসে পরিণত হয়েছেন। তবুও তৃপ্তি নেই এই অজি বোলারের। শোয়েব আখতার, ব্রেট লি’দের মতো ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে বল করতে চান তিনি। এজন্য অবশ্য বসে নেই এ বাঁহাতি। করে যাচ্ছেন ঘাম ঝরানো অনুশীলন, নিজেকে ফিট রাখতে সময় ব্যয় করছেন জিমেও।

mitchell starc make a record

ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে বল করার নিয়ে বেশ আশাবাদী স্টার্ক, ‘আমি এর আগে দুইবার ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটারের আশেপাশে বল করেছি। প্রতিবারই পায়ে ব্যথা পেয়েছি। তবে ছন্দে থাকলে এবং কন্ডিশনের সাহায্য পেলে স্পিডগানে গতি বাড়াতে পারব। করোনার সময়গুলোতে জিমে পর্যাপ্ত সময় ব্যয় করেছি এবং বিশ্রাম নিয়েছি। তাই আমি আশাবাদী।’

বলের গতির সাথে কোনো আপোস করতে চান না স্টার্ক। তিনি বলেন, ‘বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কাজ করেছি। তাই গতির সাথে ধারাবাহিকভাবে লাইন-লেংথে বল করে যেতে পারব। জোরে বল করতে চাই। আমি এটা নিয়ে কোনো আপোস করবো না। জোরে বল করতে গিয়ে ব্যয়বহুল হওয়া যাবে, তবে অ্যাকশন ঠিক করায় সেটা কাজে দেবে।’

mitchell starc celebrates wicket

সর্বপ্রথম ২০০৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘণ্টায় ১০২ মাইল বেগে বল করেন পাকিস্তানের সাবেক গতি তারকা শোয়েব আখতার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটা এখনো পর্যন্ত দ্রুততম ডেলিভারি। এছাড়া আরো একবার ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে বল করেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।

দ্বিতীয় বোলার হিসেবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০০৫ সালে ১০১ মাইল বেগে বল করেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার ব্রেট লি। তাতে অবশ্য ভাগ বসান লি’র স্বদেশি শন টেইট। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১০ সালে ঘণ্টায় ১০১ মাইল বেগে বল করেন সাবেক এ অজি পেসার।

mitchell starc celebrates with teammates

শোয়েব, লি, টেইটদের না ছুঁতে পারলেও কাছাকাছি যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে স্টার্কের। কারণ ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯.৭ মাইল বেগে বল করেছেন তিনি।

sheikh mujib 2020