advertisement
আপনি দেখছেন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচেই অঘটনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশ। রোববার মাস্কাটে স্কটিশদের কাছে ছয় রানে হেরেছে টাইগাররা। মঙ্গলবার দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ওমানের মুখোমুখি হবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। অবধারিতভাবেই এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলে আসছে পরিবর্তন।

russell domingo press coach

স্কটল্যান্ডের ছুড়ে দেওয়া ১৪০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই জোড়া ধাক্কা খায় টাইগাররা। দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার সমান পাঁচ রানে বিদায় নেন। উইকেটের লাগাম টেনে ধরতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানরা ব্যাট চালিয়েছেন মন্থর গতিতে। যার মাসুল দিয়েছে দল।

ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসান- তিনজন মিলে ৮৬ বলে করেন ৮১ রান। দুই ওপেনার ১২ বলে করেছেন ১০ রান। তাদের প্রস্তরযুগের ব্যাটিং ধরনই ম্যাচে ডুবিয়েছে টাইগারদের। হারের পর এই পাঁচজনই কাঠগড়ায়। প্রশ্ন উঠেছে স্কটিশ ম্যাচে বাংলাদেশ দলের একাদশ নিয়েও।

বিশ্বকাপের জন্য নাঈম শেখকে প্রস্তুত করা হয়েছিল। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচে নাঈম ধীরগতিতে ব্যাটিং করায় তাকে রাখা হয়নি স্কটল্যান্ড ম্যাচে। আজ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানালেন, মঙ্গলবার ওমানের বিপক্ষের ম্যাচে একাদশে ফিরবেন নাঈম। এক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন সৌম্য।

বাংলাদেশ কোচ জানালেন, বোলিংয়ের কারণেই সৌম্যকে স্কটল্যান্ড ম্যাচে রাখা হয়েছিল। যদিও ম্যাচে বোলিংই করেননি টাইগার ওপেনার। দ্বিতীয় ম্যাচের পরিকল্পনায় অবশ্য 'বোলার' সৌম্য নেই। অথচ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ দলের ‌১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সবকটিতেই ছিলেন নাঈম ও আফিফ হোসেন। নাঈম (৩৫১) আবার দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

কিন্তু আফিফ স্কটিশ ম্যাচে থাকলেও জায়গা হয়নি নাঈমের। কেন জায়গা হয়নি নাঈমের? এমন প্রশ্নে ডমিঙ্গোর উত্তর, '(নাঈমকে না নেওয়া) সিদ্ধান্তটি কঠিন ছিল। গতকাল (রোববার) সৌম্য খেলেছে কারণ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বোলিং করতে পারতো না। আফিফ ছাড়া তাই আমাদের ষষ্ঠ বোলার কেউ ছিল না।'

ডমিঙ্গো যোগ করেন, ‌'আমরা ভেবেছি, যদি শিশির পড়ে এবং স্পিনারদের জন্য বল গ্রিপ করা কঠিন হয়ে ওঠে, অন্য কারও সিম বোলিংয়ের প্রয়োজন হতে পারে। সৌম্য তা পারতো এবং একমাত্র এই কারণেই সে খেলেছে। এখন রিয়াদ ফিট। প্রয়োজন হলে বোলিং করতে পারবে। কাজেই নাঈম একাদশে ফিরছে।'

ওমান ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: মোহাম্মদ নাঈম শেখ, লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান, তাসকিন আহমেদ।