advertisement
আপনি দেখছেন

শেষ ওভালের থ্রিলারে স্নায়ুক্ষয়ী জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তৃতীয় তথা শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা। ম্যাচের ফলটা অন্যরকম হতে পারতো। শেষ বলে উইকেট পেতে পারতেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

dead ball 2021

শেষ ওভারে আট রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। প্রথম তিন বলে দুই উইকেট তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। চতুর্থ বলে ইফতিখারের কাছে ছক্কা হজম। পরের বলেই তাকে তুলে নেন টাইগার অধিনায়ক। শেষ বলে সমীকরণ দাঁড়ায় দুই রানের। ষষ্ঠ ডেলিভারিতে মোহাম্মদ নওয়াজের স্টাম্প ওড়ান মাহমুদউল্লাহ।

কিন্তু বলটি 'ডেড বল' বলে জানান আম্পায়ার। মাহমুদউল্লাহ বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে বল ছাড়েন উইকেটের বেশ পেছন থেকে। তাতে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন নেওয়াজ। বলটি মোকাবেলা করতে গেলেও খুব একটা সুবিধা করতে পারতেন না তিনি। তাই অপ্রস্তুতের 'ভান' ধরে বল ছেড়ে দেন নওয়াজ। বল লাগে স্টাম্পে।

বাংলাদেশ আউটের আবেদন জানায়। নেওয়াজের দাবি 'ডেড বল'। আম্পায়ার তানভির আহমেদ অবশ্য 'ডেড বলে'র সংকেত দেন। এনিয়ে প্রতিবাদ জানান মাহমুদউল্লাহরা। পরে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে আবারো শেষ বল করেন অধিনায়ক। এবার চার মেরে পাকিস্তানকে জিতিয়ে দেন নেওয়াজ।

অবশ্য ক্রিকেটের নিয়ম আছে বল মোকাবেলার আগ পর্যন্ত ব্যাটসম্যান চাইলে সরে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে যৌক্তিক কারণ থাকতে হবে। চোখের সামনে দিয়ে কিছু উড়ে যাওয়া কিংবা সাইটস্ক্রিনের সামনে বা আশেপাশে কিছু নড়াচড়া করা- এমন কিছু হলে ব্যাটার সরে যেতে পারেন। নেওয়াজের বেলায় টিভি রিপ্লেতে তেমনকিছু দেখা যায়নি।

বরং বল পিচ করা পর্যন্ত স্টান্সেই ছিলেন নওয়াজ। এসব ক্ষেত্রে আম্পায়ার ঠিক করবেন ব্যাটার প্রস্তুত ছিলেন নাকি ছিলেন না। বাংলাদেশের আউটের আবেদন যৌক্তিক হলেও শেষ পর্যন্ত আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মেনে নেন মাহমুদউল্লাহ। ম্যাচ শেষে অবধারিতভাবেই প্রসঙ্গটা উঠল।

উত্তরে মাহমুদউল্লাহ অবশ্য এটা নিয়ে বিতর্কে যেতে চাইলেন না, 'আম্পায়ারের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম। আমি স্রেফ জিজ্ঞেস করছিলাম। কারণ ও (নওয়াজ) অনেক শেষ মুহূর্তে সরে গেছে। এ কারণেই জিজ্ঞেস করছিলাম যে, এটা বৈধ বল কিনা। এর বাইরে কিছু না। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং আমরা তাদের সম্মান করি।'