advertisement
আপনি পড়ছেন

বার্সেলোনা কতদিন আগে এভাবে হেরেছিল তা এক গবেষণার ব্যাপারই বটে। মঙ্গলবার রাতে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের মাঠে (পিএসজি) স্রেফ বিধ্বস্ত হলো বার্সেলোনা। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলর প্রথম লেগের ম্যাচটা ৪-০ ব্যবধানে হেরেছে বার্সা। এমন হারে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে অনেকটা ছিটকেই গেল কাতালান ক্লাবটি। দ্বিতীয় লেগটা যদিও বার্সেলোনার মাঠে, কিন্তু ওই ম্যাচে পাঁচ গোলে জেতাটা বার্সার জন্য পাহাড় টপকানোর মতোই হবে।

barcelona lost

রাতে যা ঘটল পিএসজির সমর্থকরাও হয়তো এতোটা কল্পনা করেনি। ইব্রাহিমোভিচ চলে যাওয়ার পর পিএসজির আগের সেই ধার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে সম্প্রতি দারুণ ফুটবল খেলছিল বার্সেলোনা। আগের ম্যাচেই ছয় গোলের জয় পায় কাতালান ক্লাবটি। তাছাড়া শক্তির বিচারে তো অনেকটা এগিয়ে লুইস এনরিকের দল।

কিন্তু সব হিসেব পাল্টে গেল রাতে। ম্যাচের ১৮ মিনিটে ডি মারিয়ার মাপা এক ফ্রি-কিক। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলেন বার্সা গোলরক্ষক টের স্টেগানে। ১-০ তে এগিয়ে যায় পিএসজি। সেই শুরু, এরপর থেকে কার্যকর ফুটবল খেলাটাই যেন ভুলে গেল বার্সা! আক্রমণ ভাগে পাত্তাই পাচ্ছিলেন না লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ, নেইমাররা। আর প্রতিআক্রমণে বার্সার রক্ষন কাঁপিয়ে দিচ্ছিলেন ডি মারিয়া, এডিনসন কাভানি, ড্রাক্সলাররা।

পিএসজির পরের তিনটি গোলই এই প্রতিআক্রমণের ফসল। ম্যাচের ৪০ মিনিটে বার্সার অর্ধ থেকে বল ধরে গোছালো এক আক্রমন। মার্কো ভেরাত্তির পাস ধরে শেষ ফিনিশিংটা দিলেন ড্রাক্সলার, ২-০। ৫৬ মিনিটে দৃশ্যাপটে আবারও ডি মারিয়া। প্রতিআক্রমন থেকে বল পেয়ে বার্সার তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ঠিক কোনায় শট নিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন আর্জেন্টিনার এই ফরোয়ার্ড।

৭১ মিনিটে তুলির শেষ আচড়টা দিলেন এডিনসন কাভানি। এই গোলও প্রতিআক্রমনে। বার্সার অর্ধে বল ধরে কয়েকটা লম্বা পাসে হঠাৎ বল পেয়ে যান কাভানি। বার্সা গোলরক্ষকের পায়ের ফাঁক গলে বল জড়িয়ে দেন জালে। ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় পিএসজি। শেষ পর্যন্ত এই ৪ গোলের হার মাঠ ছাড়ে বার্সা।