advertisement
আপনি পড়ছেন

মোহাম্মদ সালাহর গোল আর লিভারপুলের জয়। এই মৌসুমের পরিচিত দৃশ্যগুলোর একটা। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বের প্রথম লেগের ম্যাচেও গোল করলেন আফ্রিকার বর্ষসেরা ফুটবলার। তবু ম্যাচের আসল নায়ক তিনি নন, পোর্তোর মাঠে হ্যাটট্রিক করে নায়কবনে গেলেন সাদিও মানে।

liverpool beats porto by 5 0 goals

বৃহস্পতিবার সেনেগাল ফরওয়ার্ডের আগুনঝরা পারফরম্যান্সের সুবাদে পোর্তোকে লিভারপুল বিধ্বস্ত করেছে তাদেরই মাঠে। অল রেডরা করল গোল উৎসব। শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের রাজসিক জয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল ইংলিশ ক্লাবটি। প্রথম লেগে এতগুলো গোল হজমের পর কোনো দলের পরের রাউন্ডে যাওয়ার নজির নেই! তাই বলা বাহুল্য, ৬ মার্চ অ্যানফিল্ডের ফিরতি লেগের ম্যাচটা হয়ে গেল নিরর্থক।

অবশ্য পুরো ফুটবল দুনিয়া এদিন চোখ রেখেছিল সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির যুদ্ধটাও আগুনের ফুলকি ছড়িয়েছে। লিভারপুল-পোর্তো ম্যাচের রোমাঞ্চ আড়াল হওয়াটাই স্বাভাবিক। অসম লড়াইটাও শেষ হলো নিষ্প্রাণভাবে, লিভারপুলের একচেটিয়া দাপটে। এ যেন ম্যাচ নয়, মানে-সালাহদের কাছে পোর্তোর ফুটবল-পাঠ!

m salah celebrating after scoring against porto

গোলবন্যার শুরু ও শেষ দুটোই করেছেন মানে। পর্তুগিজ ক্লাবটির উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের শুরুটা হলো ২৫ মিনিটে, শেষ হলো নির্ধারিত সময়ের মিনিট পাঁচেক আগে। এর মাঝে ৫৩ মিনিটে মানে করেছেন দ্বিতীয় গোলটি। পরেরটা ম্যাচের অন্তিম প্রহরে। ২০০২ সালের পর লিভারপুলের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচে হ্যাটট্রিক তুলে নিলেন মানে। ভালোবাসা দিবসের রাতে পোর্তোর সঙ্গে কী নিষ্ঠুর রূপটাই না দেখালেন সেনেগালের ফরওয়ার্ড!

২৯ মিনিটে অল রেডদের হয়ে মৌসুমের ৩০তম গোল করেন সালাহ। রোমা থেকে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে কেন তাকে লিভারপুল উড়িয়ে এনেছে সেটার প্রমাণ যেন প্রত্যেক ম্যাচেই দেওয়ার পণ করেছেন সালাহ। ৬৯ মিনিটে হওয়া লিভারপুলের চতুর্থ গোলটার মালিক অবশ্য ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রবার্তো ফিরমিনো।