advertisement
আপনি দেখছেন

প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করে ভারত ছুড়লো ১৭৭ রানের চ্যালেঞ্জ। টি-টোয়েন্টিতে এই রান কম নয়। কিন্তু ঠিক আগের ম্যাচেই ২১৪ চেজ করে জেতা বাংলাদেশ এতে ভয় পাবে কেনো? না, তামিম-মুশফিকরা ভয় পাননি। লড়ে গেছেন শেষ পর্যন্ত। কিন্তু ডট বলের চোরাবালির ফাঁদে পা দেয়ায় আবারও ডুবতে হয়েছে। আরো একবার টি-টোয়েন্টিতে ভারত থেকে গেছে অজেয় শক্তি।

bangladesh suffered due to dot balls

টস জিতে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তার পাঁচ বোলারের শক্তি দেখাতে। সেই শক্তিটা খারাপ দেখাননি বোলাররা। ভারতীয় দলটা ঠিক প্রথম সারির না হলেও, তাদের ব্যাটিং সামর্থ্য কম নয় মোটেও। সেই তাদের বিপক্ষে ৩৮ বলে কোনো রান না দেয়া নিশ্চিতভাবেই তৃপ্তিদায়ক ব্যাপার।

হ্যা, বাংলাদেশের বোলাররা ৩৮টি বলে ভারতীয়দের কোনো রান নিতে দেননি। সবচেয়ে বেশি ১২ বলে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের আটকে রেখেছেন নাজমুল ইসলাম অপু। আট বলে তাদেরকে রান নিতে দেননি দুর্দান্ত বোলিং করা রুবেল হোসেন। ছয়টি করে বল ডট রাখতে পেরেছেন আবু হায়দার রনি, মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদি হাসান মিরাজ।

১৭৭ রানের লক্ষ্য ছুঁতে গিয়ে বাংলাদেশ ভারতকে দিয়ে দেয় ৪৬টি ডট বল। ১২০ বলের মধ্যে ৪৬টি বল ডট দিলে কি আর ১৭৭ রানের মতো স্কোর ছোঁয়া যায়? না, যায় না। ১৭ রানে হেরে সেটাই প্রমাণ করেছেন মুশফিকরা।

ভারতের চেয়ে আটটি বল বেশি ডট দিয়েছে বাংলাদেশ। ওই আটটা বল থেকেও যদি রান পেতেন মুশফিকরা, ম্যাচের ফলাফল হতে পারতো অন্য রকম। প্রথমবারের মতো ভারতকে টি-টোয়েন্টিতে হারানোর স্বাদও পেতে পারতো বাংলাদেশ।

ভারতের বিপক্ষে নিদাহাস ট্রফির প্রথম ম্যাচেও ৫৫টি ডট বল দিয়েছিলেন তামিম-সৌম্যরা। ফলাফল ১৩৯ রানে শেষ ইনিংস এবং ছয় উইকেটের বিশাল হার। স্ট্রাইক রোটেট করতে না পারা টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের চিরন্তন দুঃখই হয়ে উঠছে দিন দিন।