advertisement
আপনি পড়ছেন

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সাথে ছবি তুলে বিপদে পড়েছেন জার্মানির জাতীয় দলের দুই ফুটবলার মেসুত ওজিল ও ইলকে গোন্দুগান। দুজনই আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ozil posed for a photo with erdogan

জার্মানির ফুটবল ফেডারেশন এরই মধ্যে এরদোগানের সাথে ছবি তোলায় এ দুজনের বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছে। ছবিটিতে ওজিল ও গোন্দুগানের সঙ্গে তুর্কি ফুটবলার চেঙ্ক টসুনকেও দেখা গেছে।

এরদোগান ১৫ বছর ধরে তুরস্ক শাসন করছেন। সম্প্রতি তিনি আরো একবার নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শুরু করে দিয়েছেন প্রচারণার কাজও। এরই ফাঁকে লন্ডনে ওজিল ও গোন্দুগানের সঙ্গে দেখা হয় তার। এ সময় ওজিল তার ক্লাব আর্সেনালের একটি জার্সি এরদোগানকে উপহার দেন।

ozil and gondugan posed with erdogan

ওজিল ও গোন্দুগান, দুজনই তুর্কি বংশোদ্ভূত। খুব সম্ভবত এ কারণেই তুরস্কের প্রেসিডেন্টের প্রতি বিশেষ টান আছে তাদের এবং এ কারণেই সম্ভবত তর সঙ্গে ছবি তোলা নিয়ে দুই ফুটবলারের মনে অন্য কোনো ভাবনা ছিলো না।

ফুটবলাররা না ভাবলেও বিশ্ব ভাবছে অন্য কিছু। মনে করা হচ্ছে, এরদোগান যে তার নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন, ওজিল ও গোন্দুগানের সমর্থন আছে তাতে। অর্থাৎ নিজেদের অজান্তেই রাজনীতি-ভাবনায় ঢুকে গেছেন এই দুই ফুটবলার। যা সহজভাবে নেয়নি জার্মানির ফুটবল ফেডারেশন।

জার্মানির বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ ওজিল ও গোন্দুগানের সমালোচনা করেছেন। জার্মানির ফুটবল ফেডারেশনের রেইনহার্ড গ্রিনডেল এ বিষয়ে বলেছেন, ‘ফুটবল এবং জার্মানির ফুটবল ফেডারেশন যে মূল্যবোধ সংরক্ষণ করে তা প্রেসিডেন্ট এরদোগান করেন না।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের আন্তর্জাতিক ফুটবলারদের এরদোগানের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সমাধানে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি ভালো কিছু নয়। যদিও তারা এরদোগানের সঙ্গে ছবি তোলার প্রতীকী মূল্য সম্পর্কে অবহিত নয়। আমরা দুই ফুটবলারের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবো।’

এই পরিস্থিতে গোন্দুগান একটি বিবৃতি দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, ‘আমি আমার পরিবারের শিকড় যে দেশে, সে দেশের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে অভদ্র আচরণ করবো? কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমরা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছবি তুলিনি। আমরা কেবল প্রেসিডেন্টের সঙ্গে শালীন আচরণ করেছি।’