advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 12 মিনিট আগে

প্রায় দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম! ধ্রুপদী একটা লড়াই উপহার দিল বায়ার্ন মিউনিখ ও হফেনহেইম। দুই দলের লড়াই না যেন একটা যুদ্ধ হলো। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, লালকার্ড, স্নায়ুর উত্তেজনা- সবকিছুর মিশেল থাকলো থ্রিলার ম্যাচটাতে।

bayern celebrate their opening goal

বুধবার জার্মান কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভুতুড়ে ম্যাচটার নিষ্পত্তি হয়েছে ৫-৪ গোলে। নয় গোলের অগ্নিঝরা মহারণে শেষ হাসি হাসল বায়ার্ন মিউনিখ। অবিশ্বাস্য হলেও ম্যাচের ৮০ মিনিট বাভারিয়ানরা খেলেছে ১০ জনের দল নিয়ে!

পল গ্লাটজেল নিজেকে দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন। হ্যাটট্রিক করেও হফেনহেইমকে জেতাতে পারলেন না এই ফরোয়ার্ড। বৃথা গেছে স্ন্যাটারের গোলটাও। তবে দুই গোল করে ম্যাচের নায়ক বনে গেলেন রবার্ট লেভানডফস্কি। ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ম্যাচের নবম ও শেষ গোলটি করেন পোলিশ এই স্ট্রাইকার।

ঘরের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় এমন আগুনে পরীক্ষা দেবে সেটা ম্যাচের শুরুতে হয়তো কল্পনাও করতে পারেনি বায়ার্ন মিউনিখ। ১২ মিনিটে গোরেৎস্কর গোলে এগিয়ে যাওয়ার উচ্ছাসটা বাভারিয়ানদের বাতাসে মিশে গেছে পরের মিনিটেই। সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুলে।

তবে একজন খেলোয়াড় কমে গেলেও আত্মবিশ্বাস হারায়নি নিকো কোভাকের দল। ম্যাচজুড়ে দাপুটে ফুটবল খেলে গেছে তারা। ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন লেভা। তার দুই গোলের ফাঁকে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েনে মুলার ও জিনাব্রি।

পুরো ম্যাচে ২৮টি আক্রমণ দেখেছেন দর্শকেরা। গোলবন্যার ম্যাচে ৩২ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেই বায়ার্নকে যতটা সম্ভব চাপে রেখে খেলেছে হফেনহেইম। কিন্তু ম্যাচের সিংহভাগ সময় ১০ জনের দল নিয়ে বায়ার্ন যেভাবে জিতল বিশেষণ হতে পারে এক কথায় অবিশ্বাস্য। মহানাটকীয় এই জয়ে জার্মান কাপের সেমিফাইনালে উঠে গেল বায়ার্ন।

শেষ বাঁশি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন দর্শকেরা। থ্রিলার জয়ের পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরাও। এমন ফুটবল যুদ্ধ দেখা সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। কোনো সন্দেহ নেই, ম্যাচটা বহুদিন গেঁথে থাকবে নিখাঁদ ফুটবল সমর্থকদের মনে।

sheikh mujib 2020