advertisement
আপনি দেখছেন

ইংলিশ ফুটবলে দ্বৈরথটা বেশ পরিচিত। পুরনো লড়াইয়ের মঞ্চ প্রথমবার বসল উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে। স্বাভাবিকভাবেই 'অল ইংল্যান্ড' দ্বৈরথ নিয়ে আগ্রহের কমতি ছিল না। নিখাদ ফুটবল দর্শকদের প্রত্যাশিতভাবেই বিনোদন দিয়েছে ইংলিশ ফুটবলের জায়ান্ট দুই দল।

son heung min celebrates a goal

উত্তেজনার রেণু ছড়ানো ম্যাচে শেষ হাসি হাসল টটেনহাম হটস্পার। মঙ্গলবার কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ম্যানচেস্টার সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে স্পার্সরা। কাঠখড় পোড়ানো এই জয়ে সেমিফাইনালের পথে একধাপ এগিয়ে গেল উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি। আগামী বুধবার দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে সিটির সামনে।

মহারণটা গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগুচ্ছিল। শেষ দিকে ব্যবধান গড়ে দেন সন হিয়ুং-মিন। ৭৮ মিনিটে দুর্দান্ত গোলে টটেনহামকে এগিয়ে দেন কোরিয়ান ফরওয়ার্ড। তার গোলটাও ছিল দেখার মতো। সিটির রক্ষণবিভাগকে ঘোল খাইয়ে হিয়ুং-মিন জয়সূচক যে গোলটা করেছেন সেটার বিশেষণ হতে পারে এক কথায় অসাধারণ।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে শুরু থেকেই জমে ওঠা ম্যাচের চিত্রটা অন্যরকম হতে পারতো। টটেনহামের মাঠ হোয়াইট হার্ট লেনে এগিয়ে যেতে পারতো ম্যানচেস্টার সিটি। সেটা হয়নি সার্জিও অ্যাগুয়েরোর ভুলে। আর্জেন্টাইন তারকা পেনাল্টি মিস করে বসেন। স্পট কিক থেকে অ্যাগুয়েরো যে শটটা নিয়েছিলেন সেটা বাঁ-দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন বিশ্বজয়ী ফরাসি গোলরক্ষক হুগো লরিস।

অথচ শেষ ষোলোতে পেনাল্টি থেকে দুই গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। কাল ইনজুরি থেকে মাঠে ফিরেই গোলের সুযোগটা হেলায় হারালেন তিনি। অ্যাগুয়েরোর ভুলের জন্য শেষ পর্যন্ত চড়া মূল্য দিতে হলো সিটিজেনদের। অন্যদিকে ডি-বক্সে ড্যানি রোজের হ্যান্ডবলের খেসারত লরিস দিলেন পেনাল্টি ঠেকিয়ে।

এমন জয়ের ম্যাচে টটেনহামের শুরুটা হলো দুঃস্বপ্নের। প্রথমার্ধের ১০ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠের বাইরে চলে যান অধিনায়ক হ্যারি কেন। পরে তার মতো ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো ডেলে আলিকেও। আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা দুই তারকাকে হারালেও ম্যাচে সিটির চেয়ে বেশি আক্রমণ করেছে টটেনহাম। সেটার সুফলটা হাতেনাতেই পেল মাওরিসিও পচেত্তিনোর দল।