advertisement
আপনি দেখছেন

লাইপজিগ, অলিম্পিক লিওঁ, বেনফিকা ও জেনিত সেন্ট পিটার্সবার্গ। মাঝারি শক্তির দলগুলো নিয়ে ‘জি’ গ্রুপটা ভালোই কঠিন ছিল। চার দলের লড়াইও হলো জমজমাট। যেখানে শেষ হাসি হাসল লাইপজিগ ও অলিম্পিক লিওঁ। মঙ্গলবার রাতে ২-২ গোলে ড্র করে দুই দলই উঠে গেল চ্যাম্পিয়নস লিগের নক আউট পর্বে।

chelsea celebrating a goal over lille

গ্রুপের অপর ম্যাচে জেনিতকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েও শেষ ষোলোতে উঠতে পারল না বেনফিকা। ছয় ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে অস্রুসিক্ত বিদায় নিল পর্তুগিজ ক্লাবটি। সমান পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের চতুর্থ হয়েছে জেনিত। বেনফিকার মাঠে হেরে নক আউট পর্বে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করল রাশান ক্লাবটি।

গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জার্মান জায়ান্ট লাইপজিগ। তাদের পয়েন্ট ১১। আট পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হিসেবে গ্রুপপর্বের গণ্ডি পাড়ি দিল ফরাসি ক্লাব লিওঁ। কাল রাতে দুর্দান্ত একটা ম্যাচই উপহার দিল শীর্ষ দুই দল। প্রথমার্ধে লাইপজিগ করেছে দুই গোল। জবাবটা দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েছে লিওঁ। দুই গোল করে এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে তারা।

শেষ ষোলোর টিকিটের জন্য তীব্র লড়াই হয়েছে ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচগুলোতেও। তবে এই গ্রুপের লড়াইয়ে ছিল তিন দল। এক পয়েন্ট পাওয়া ফরাসি ক্লাব লিলের বিদায় আগেই নিশ্চিত হয়েছিল। কাল রাতে তাদের স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ডেকে এনে চেলসি হারিয়ে দিল ২-১ গোলে। প্রথমার্ধেই দুই গোল করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে ব্লুজরা। ১১ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের রানার্সআপ হলো পশ্চিম লন্ডনের ক্লাব চেলসি।

সমান পয়েন্ট নিয়ে গোলগড়ে এগিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়া। মঙ্গলবার রাতে আয়াক্সের মাঠে ন্যূনতম ব্যবধানে জিতেছে তারা। ২৪ মিনিটে রদ্রিগোর একমাত্র ও জয়সূচক গোলেই বাজিমাত করে ভ্যালেন্সিয়া। গত আসরে দুর্দান্ত খেলা আয়াক্স ঘরের মাঠে হেরে পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ মিস করল। তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ পয়েন্ট পেয়েও বিদায় নিতে হলো ডাচ জায়ান্টদের।