advertisement
আপনি দেখছেন

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি ম্যাচ। প্রথমটা ইংলিশ লিগ কাপে, দ্বিতীয়টা ক্লাব বিশ্বকাপে। লিভারপুল প্রধান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ দুই ম্যাচের জন্য আলাদা দুটি দল বানিয়েছেন। পরিণামটা ভালো হয়নি। লিগ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে তৃতীয় সারির লিভারপুল। দুঃস্বপ্নের হারে বিদায় নিতে হলো অল রেডদের।

firmino celebrates a goal for liverpool 1

কাতারে বসে অনিয়মিত লিভারপুলের হারটা দেখেছেন দলের তারকা ফুটবলাররা। জার্মান কোচ ক্লাব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও কিছুটা বিস্ময় উপহার দিয়েছেন। শুরুর একাদশে রাখেননি সাদিও মানে, অ্যালেক্সান্ডার, আরনল্ড, রবার্তো ফিরমিনোদের। অসুস্থতার কারণে তো ম্যাচেই ছিলেন না রক্ষণভাগের মূল প্রহরী ভার্জিল ফন ডাইক!

স্বাভাবিকভাবেই মেক্সিকান ক্লাব মন্টেরির বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে নিজেদের হারিয়ে খুঁজল লিভারপুল। অল রেডরা জড়তা কাটিয়ে উঠল বিরতির পর। কিন্তু জয়সূচক গোলের দেখা পাচ্ছিল না মার্সিসাইড ক্লাবটি। অবশেষে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোলটি পেয়ে যায় লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গোল করে অল রেডদের নাটকীয় জয় উপহার দেন রবার্তো ফিরমিনো।

বেঞ্চ ছেড়ে উঠে আসার পাঁচ মিনিটের মধ্যে গোল করলেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। কাতারের রাজধানী দোহায় কাল রাতে লিভারপুল জিতল ২-১ গোলে। নাটকীয় এই জয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেল ইউরোপ সেরা দলটি। আগামী শনিবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো।

ক্লাব বিশ্বকাপে এনিয়ে দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল লিভারপুল। ১৪ বছর আগে সবশেষ এই টুর্নামেন্টে তীরে এসে তরি ডুবেছিল অল রেডদের। সেবার ব্রাজিলের আরেক ক্লাব সাও পাওলোর কাছে শিরোপা দিয়ে এসেছিল ইংলিশ ক্লাবটি। এবার ফ্ল্যামেঙ্গোকে হারাতে পারলে কিছুটা হলেও সেই দুঃস্মৃতির ক্ষতে প্রলেপ দিতে পারবে লিভারপুল।

ক্লাব বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালটা জমে উঠেছিল ম্যাচের শুরুতেই। ১৪ মিনিটের ব্যবধানে হলো দুই গোল। ১১ মিনিটে নাবি কেইতার গোলে উৎসব করে লিভারপুল। কিন্তু অল রেডদের গোলের আনন্দ একটু পরই মাটি হয়ে গেছে। লিভারপুলের জাল কাঁপিয়ে মন্টেরিকে সমতায় ফেরান ফানেস মরি। এরপর লম্বা সময় গোলখরা। খরা কাটল ফিরমিনোর গোলে।