advertisement
আপনি দেখছেন

১৪ বছর আগে স্বপ্নটা হাতছোঁয়া দূরত্বে রেখে এসেছিল লিভারপুল। ব্রাজিলিয়ান জায়ান্ট সাও পাওলোর কাছে ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের হতাশা নিয়ে ঘরে ফেরে অল রেডরা। এক যুগেরও বেশি সময় পর আবারো ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে ওঠে ইংলিশ জায়ান্টরা। এবার তাদের স্বপ্নের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় ব্রাজিলের আরেক ক্লাব- ফ্ল্যামেঙ্গো।

liverpool celebrating club world cup trophy

ইংলিশ ক্লাবটিকে বহু অরাধ্যের ধন বিশ্বকাপ ট্রফি এনে দিয়েছেন ব্রাজিলেরই এক ফুটবলার। তিনি রবার্তো ফিরমিনো। লিভারপুল ফরওয়ার্ড সর্বনাশ করলেন নিজ দেশের ক্লাবের। শনিবার রাতে অতিরিক্ত সময়ে ফিরমিনোর গোলেই কপাল পোড়ে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গোর। কাতারের দোহায় উত্তেজনার রেণু ছড়ানো ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে লিভারপুল হয়ে গেল বিশ্বসেরা ক্লাব।

বিশ্বসেরা ক্লাব নির্ধারণী ম্যাচটায় লড়াই হয়েছে সেয়ানে সেয়ানে। আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে ফাইনাল জমজমাট হয়ে উঠলেও গোলমুখ খুলছিল না। নির্ধারিত দেড় ঘণ্টা শেষে ম্যাচ থেকে যায় নিস্ফলা। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটে। সেখানেই বাজিমাত। ৯৯ মিনিটে ম্যাচের একমাত্র ও জয়সূচক গোল করেন ফিরমিনো। এনিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।

সেমিফাইনালেও শেষ মুহূর্তে গোল করে লিভারপুলের আশা বাঁচিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এবার ফাইনালেরও নায়ক হয়ে গেলেন ফিরমিনো। চ্যাম্পিয়ন হলো অল রেডরা। তাতে ১৪ বছর আগের দুঃখ মোচন করল লিভারপুল। এ বছরের দ্বিতীয় শিরোপা জিতল মার্সিসাইডের ক্লাবটি। টানা ছয়টি ফাইনাল হারের পর ব্যাক টু ব্যাক দুটি শিরোপা লড়াইয়ে জিতলেন দলটির জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ।

এনিয়ে দ্বিতীয় ইংলিশ ক্লাব হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতল লিভারপুল। ২০০৮ সালে প্রথমবার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এদিকে তৃতীয়স্থান নির্ধারণী ম্যাচটাও জমে উঠেছিল। দুই ঘণ্টার লড়াই শেষে মন্টেরি ও স্বাগতিক কাতারি ক্লাব আল-হিলাল ২-২ গোলে ড্র করে। পরে পেনাল্টি শ্যুট আউটে আল-হিলালকে ৩-২ গোলে হারায় মেক্সিকান ক্লাবটি। তাতে শিরোপা জিততে না পারার ‍দুঃস্মৃতির ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ দিল মন্টেরি।