advertisement
আপনি দেখছেন

চেলসির যে কজন কিংবদন্তি ফুটবলার আছেন তাদের একজন ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড। ইংলিশ মিডফিল্ডারই এখন পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটির প্রধান কোচ। চেলসির ডাগ আউটে দাঁড়ানোর পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তার খেলোয়াড়ি জীবনের সাফল্য। ল্যাম্পার্ডের এই সাফল্যের নেপথ্য নায়কদের একজন হোসে মরিনহো।

son heung min sent off

দুই মেয়াদে চেলসির প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন পর্তুগিজ কোচ। এ সময় ল্যাম্পার্ডকে গুরুশিক্ষা দিয়েছিলেন ‘স্পেশাল ওয়ান’। সেই শিষ্যই রোববার রাতে মরিনহোর মুখোমুখি হলেন। গুরু-শিষ্যের দ্বৈরথ লন্ডন ডার্বিতে যথারীতি যোগ করল অনন্য মাত্রা। যার সমাপ্তি হলো মরিনহোর হারে।

কাল রাতে ঘরের মাঠ হোয়াইট হার্ট লেনে চেলসির কাছে ২-০ গোলে হেরে গেছে মরিনহোর টটেনহাম। তাতে নতুন একটা অভিজ্ঞতা হলো পর্তুগিজ কোচের। পেশাদার ক্যারিয়ারে প্রথমবার ঘরের মাঠে সাবেক ক্লাবের বিরুদ্ধে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেয়েছেন মরিনহো। টানা দুই ম্যাচ হেরে জয়ে ফিরল চেলসি।

লন্ডন ডার্বির ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেছে প্রথম ভাগেই। দুই গোলই করেন মরিনহোর আরেক পুরনো শিষ্য উইলিয়ান। ১২ মিনিটে চেলসিকে এগিয়ে দেন তিনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে পেনাল্টি থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। নিজের ভুলের মাসুল দিতে পারলেন না টটেনহামের দ্বিতীয় সেরা গোলরক্ষক পাওলো গাসানিগা।

গানসিয়া ফাউল করেন মার্কোস আলোনসেকে। প্রথমে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত জানান রেফরি। পরে ভিডিও অ্যাসিসটেন্ট রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানান ম্যাচকর্তা। সুযোগটা কাজে লাগান উইলিয়ান; স্পট কিক থেকে করেন গোল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের তৃতীয় ধাক্কাটা খায় স্বাগতিক টটেনহাম। সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন স্পার্সদের কোরিয়ান ফরওয়ার্ড সন হিয়ুং-মিন।

৬২ মিনিটে অ্যান্তনিও রুদিগারকে ইচ্ছেকৃতভাবে লাথি মারেন হিয়ুং-মিন। পরে ভিএআরের সহায়তা নিয়ে কোরিয়ান তারকাকে মাঠছাড়া করেন ম্যাচকর্তা। টটেনহামের ফেরার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে তাতেই। দশজনের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অবশ্য আর গোল করতে পারেনি চেলসি।

তবে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি ৫৫ মিনিটে তৃতীয় গোলের দেখা পেয়েছিল। কিন্তু টামি আব্রাহামের গোলটা বাতিল হয়ে যায় অফসাইডের ফাঁদে পড়ে। তাতে অবশ্য খুব একটা ক্ষতি হয়নি চেলসির। সহজে জিতেই মাঠ ছেড়েছে তারা। এই জয়ে ১৮ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার চার নম্বর জায়গাটি ধরে রেখেছে ব্লুজরা।

অন্যদিকে ডার্বি হেরে চেলসির চেয়ে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে সাতে নেমে গেল টটেনহাম। এক ম্যাচ কম খেলে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি সবার ওপরে আছে লিভারপুল। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে লেস্টার সিটি দুইয়ে এবং ৩৮ পয়েন্ট থাকা ম্যানচেস্টার সিটির ঠিকানা তালিকার তিন নম্বরে।