advertisement
আপনি দেখছেন

ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় পাঁচ লিগের মধ্যে জার্মান বুন্দেসলিগা এ বছর একটু দেরিতে শুরু হয়েছে। মাসের অর্ধেকেরও বেশি সময় পর বল গড়িয়েছে মাঠে। বায়ার্ন মিউনিখ অবশ্য আগেই মাঠে নেমেছিল। নুরেনবার্গের মাঠে প্রীতি ম্যাচ খেলতে গিয়ে ৫-২ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে এসেছে বাভারিয়ানারা। সেই হারটাই তাতিয়ে দিয়েছে তাদের।

bayern munchen v schalke

প্রদর্শনী ম্যাচ বলেই কিনা গা ভাসিয়ে খেলেছিল বায়ার্ন। তা নয় তো কী! জার্মান লিগে ফিরতেই চেনারূপে হাজির ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। হার্থা বার্লিনকে তাদেরই মাঠে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বায়ার্ন। গোলবন্যার ধারাটা ১৯তম রাউন্ডেও বয়ে আনল হানসি ফ্লিকের দল। কাল রাতে শালকে জিরো ফোরকে উড়িয়ে দিল ৫-০ গোলে!

বায়ার্নের বিশাল এই জয়ের একক নায়ক অবশ্য কেউ নন। দলের পাঁচজন করেছেন গোলগুলো। ছয় মিনিটে গোল উৎসবের শুরু করেছেন রবার্ট লেভানডফস্কি। ৮৯ মিনিটে শালকের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেছেন সার্জি জিন্যাব্রি। মাঝের গোলগুলো করেছেন যথাক্রমে টমাস মুলার, লিওন গোরেৎস্ক ও থিয়াগো আলকান্তারা।

প্রথমজনের গোল সংখ্যা দুটি হতে পারতো। কিন্তু প্রথমার্ধে ভিএআরের বলি হয়েছে মুলারের গোলটা। সেই আক্ষেপ তার দূর হয়ে গেছে। এদিন মুলার যে গোলটা করেছেন সেটা ঘরের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় বায়ার্নের জার্সিতে তার শততম গোল। ওদিকে টিমো ভেরনারকে টপকে জার্মান লিগের চলতি মৌসুমে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে সবার ওপরে উঠে গেলেন লেভা (২১ গোল)।

লিগের ১৯ ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখ গোল করেছে ৫৫টি। বুন্দেসলিগায় গেল ৩৪ বছরের মধ্যে ১৯ ম্যাচে এটা কোনো দলের সর্বোচ্চ গোল। সার্বজনিন রেকর্ডে দুই গোল বেশি করেছিল ওয়েডার ব্রেমেন (১৯৮৫-৮৬)। তাদের রেকর্ড ভাঙতে না পারলেও যা হয়েছে তাতেই তৃপ্ত বায়ার্ন। এদিন বাভারিয়ানদের জয়ের আনন্দও হয়েছে দ্বিগুণ।

কারণ লিগের অন্য ম্যাচে আবার হেরে বসেছে শীর্ষে থাকা লাইপজিগ (০-২)। ইন্ট্রাক্ট ফ্র্যাঙ্কফুর্টকে একটা ধন্যবাদ দিতেই পারে বায়ার্ন মিউনিখ। তাতে লাইপজিগের সঙ্গে বাভারিয়ানদের পয়েন্ট ব্যবধান কমে এসেছে এক-এ। বায়ার্নের পয়েন্ট ৩৯। লাইপজিগের ৪০। তাদের পেছনে আছে মনচেনগ্লাডব্যাচ (৩৮), বরুসিয়া ডর্টমুন্ড (৩৬) ও শালকে জিরো ফোর (৩৩)।