advertisement
আপনি দেখছেন

ইতালিয়ান সিরি’এ লিগের ইতিহাসে দ্বিতীয় সফল দল এসি মিলান। ১৮বার লিগ শিরোপা জিতেছে সান সিরোর দলটি। ইউরোপের মঞ্চে রিয়াল মাদ্রিদের পর সেরা ক্লাব এসি মিলানই। সাত বার ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। কয়েক বছরের মধ্যে সেই দলটিই কোথায় যেন হারিয়ে গেল।

ibrahimovic ac milan 2020

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জয় তো অনেক দূরের কথা, কয়েক মৌসুম ধরে এই টুর্নামেন্টের মূলপর্বেরই টিকিট মিলছে না তাদের কপালে। ওদিকে ইতালিয়ান লিগে ২০১১ সালের পর আর চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি মিলান জায়ান্টরা। বিশ্ব ফুটবলে এক সময় একচেটিয়া দাপট দেখানো এসি মিলান এখন হয়ে গেছে নখদন্তহীন এক বাঘ!

ইউরোপিয়ান ফুটবলে এখন যে রকম ইউরো-ডলার-পাউন্ডের ঝনঝনানি সেখানে এসি মিলানের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতোই। তবে কালেভদ্রে দুই-একজন বড় ফুটবলার তারা দলে টেনেছে। তাদেরই একজন জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। গেল জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে সুইডিস কিংবদন্তিকে মার্কিন ফুটবল থেকে উড়িয়ে এনেছে তারা।

এসি মিলানের বিশ্বাস, ক্লাবের সুদিন ফেরাতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন ইব্রাহিমোভিচ। ব্রাজিলের বিশ্বজয়ী সাবেক অধিনায়ক কাফুর ভাবনাও এমন। আজ অমনি স্পিার্টকে এসি মিলানের এই কিংবদন্তি বলেছেন, ‘ইব্রার এসি মিলানে ফেরার দারুণ একটা প্রভাব পড়েছে।’

কাফু আরো বলেছেন, ‘আমরা আশাবাদী, আমাদের দিনে আমরা যেমন এসি মিলানকে অনেক শিরোপা জিতিয়েছি, তেমনটা ইব্রা-ও করতে পারেন। ও চমৎকার একং সংবেদনশীল একজন খেলোয়াড়।’ নিন্দুকদের চোখে সমস্যা হচ্ছে, ইব্রার বয়স। ৩৮ বছর বয়সে তিনি কীভাবে এসি মিলানের সোনলি দিন ফেরাবেন?

উত্তরে কাফু জানালেন ইব্রার বয়স কোনো সমস্যা নয়। উত্তরসূরির ওপর ভীষণ মুগ্ধ ব্রাজিলের কিংবদন্তি বলে গেলেন, ‘ইব্রার বয়স কোনো সমস্যা নয়। ব্যাপারটা হচ্ছে, ও এখনো খেলতে চাচ্ছে, আরো ওপরে উঠতে চাচ্ছে। যা এসি মিলানের সাফল্যের রূপকার হয়ে উঠতে পারে।’

sheikh mujib 2020