advertisement
আপনি দেখছেন

উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে প্রথম লেগে পিএসজি তারকা নেইমারের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। ইনজুরি আক্রান্ত হওয়ায় এবং তার শতভাগ ফিট থাকা নিয়ে কিছুটা সংশয় ছিল। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মাঠে ফিরলেন দলটির মহাগুরুত্বপূর্ণ এই তারকা। কিন্তু পুরো ৯০ মিনিট খেলেও দলকে জেতাতে পারলেন না তিনি।

holand boroshia dotmond

এদিন চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছিলেন আরেক মহাগুরুত্বপূর্ণ তারকা কাইলিয়ান এমবাপে। কিন্তু দুইজনই দলে থাকার পরও ১৯ বছরের তরুণ আর্লিং ব্রাট হল্যান্ডের দুর্দান্ত ফুটবলের কাছে হার মানতে হলো তারকাসমৃদ্ধ দল ফ্রান্স জয়ান্ট পিএসজিকে।

বর্তমান ইউরোপিয়ান ফুটবলে যে কয়জন তরুণের প্রতিভা আছে, তাদের মধ্যে অন্যতম সেরা বলা হয়ে থাকে জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের হয়ে খেলা নরওয়ের এই ফুটবলারকে। তারই যেন স্বাক্ষর রেখে চলেছেন এই তরুণ তুর্কি। এখন পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলা ৭ ম্যাচে করেছেন ১০ গোল। যৌথভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতাও এখন তিনি।

গোল করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতা ব্রাট হল্যান্ডকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে। আজও নিজেদের মাঠে করলেন দুর্দান্ত দুটি গোল। আরো একটি করার সুযোগ ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেই শটটি বাইর দিয়ে জালে লাগে। তার জোড়া গোলেই নেইমার-এমবাপেদের পিএসজিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।

মঙ্গলবার রাতে খেলতে নেমে নিজেদের ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে বরুশিয়া। দুই দলের আক্রমণ পাল্টা-আক্রমণে প্রথমার্ধ গোলশূন্য থেকে যায়। তবে এই সময়ের মধ্যে জোড়া গোল করার সুযোগ হয়েছিল। প্রথমবার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে গোল রুখে দেন পিএসজি গোলরক্ষক কেইলর নাভাস। পরের বার হল্যান্ডের করা শটটি বাইর দিয়ে জালে লাগে।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে পিএসজিকে চেপে ধরে বরুশিয়া। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে গিয়ে প্রথম গোলের দেখা মেলে। সতীর্থ রাফায়েল গেরেইরার শট প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে ফেরত আসলে, ফিরতি বলটি ফাঁকায় পেয়ে আলতো টোকায় জালে প্রবেশ করান হল্যান্ড। এর মিনিট পাঁচেক পরই এমবাপের সহায়তায় পিএসজির হয়ে প্রথম গোলটি করেন নেইমার।

এর দুই মিনিট পরই একক নৈপুণ্যে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হল্যান্ড। প্রায় ২২ গজ দূর থেকে বুলেট গতির এক শটে হকচকিয়ে দেন পিএসজি গোলরক্ষক নাভাসকে। এর মাধ্যমে বরুশিয়াকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই তরুণ তারকা। পরে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ফরাসি জয়ান্টরা।