advertisement
আপনি দেখছেন

আর্থিক নীতিমালা ভেঙে ইউরোপিয়ান শীর্ষস্থানীয় প্রতিযোগিতার মঞ্চে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানার খড়্গ। গেল শুক্রবার নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার পর শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। দুঃসময়ে অনেকেই ম্যানসিটির পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। কেউ কেউ ভর্ৎসনাও দিচ্ছে।

bartomeu pep guardiola

তাদেরই একজন গার্দিওলার সাবেক ক্লাব বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট হোসেপ মারিয়া বার্তেমেউ। উয়েফার আইনের ভূয়সী প্রশংসা করার পাশাপাশি ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানজমেন্টের সমালোচনা করেছেন তিনি। জবাবে বার্সা প্রধানকে ধুয়ে দিলেন সিটি কোচ গার্দিওলা। কাল রাতে ওয়েস্টহামকে হারানোর পর বার্সা ও বার্তেমেউকে চুপ থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন স্প্যানিশ কোচ।

সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা বলেছেন, ‘তারা (বার্সেলোনা) আমাকে নিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছে কিনা আমি জানি না। কিন্তু তারা আমার বিষয়ে জানে, এটা করার প্রয়োজন নেই। আমাদের নিষেধাজ্ঞায় তারা যদি খুশি হয় তাহলে আমি বার্সা সভাপতিকে বলব আমাদের দুবার আবেদন করার সুযোগ দিন। তাহলে আমি এখনই মানুষদের (সিটি নীতি নির্ধারকদের) জিজ্ঞেস করব তারা কী করেছে।’

গার্দিওলা ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটালেন একটু পরই। একই সঙ্গে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনাকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চাইছেন স্প্যানিশ কোচ। তিনি বলেছেন, ‘চিৎকার করে কথা বলবে না বার্সেলোনা, এটা আমার উপদেশ। কারণ এটার সঙ্গে সবাই জড়িত। আমরা আপিল করতে যাচ্ছি এবং আশা করছি ভবিষ্যতে চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনার বিরুদ্ধেই খেলতে পারব।’

গার্দিওলার ক্ষোভটা কোন পর্যায়ে চলে গেছে তা বোঝাই যাচ্ছে। তা কী বলেছিলেন বার্সা সভাপতি যে অমন ক্ষেপে গেলেন গার্দিওলা। সিটির সমালোচনা করে বার্তেমেউ বলেছিলেন, ‘এটা ঐতিহ্যবাহী একটা ক্লাব। ক্লাবের মালিক ১৪৪০০০ জন সদস্য। এই ক্লাবটার কূটনৈতিক নীতিমালা এবং স্বাধীনতা খুব গভীরে। এই  ক্লাবটা সবসময়ই কঠোরভাবে পরিচালিত হয়। এই অবস্থায় আমরা উয়েফাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।’

উয়েফার নীতির প্রশংসা করে গার্দিওলা আরো বলেছেন, ‘তারা কয়েক বছরে আর্থিক স্বচ্ছতার নীতি অনুসরণ করছেন। আমরাও এই নীতিমালা অনুসরণ করি। নিয়মিত তদন্ত করি এবং উয়েফার সঙ্গে বৈঠক করি যে, কীভাবে এটা করা যায়। ফুটবলের ভালোর জন্য আমরা এখানে উয়েফার সহায়তা চাই।’