advertisement
আপনি দেখছেন

ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ড ও হোসে মরিনহো। চেলসিতে দারুণ জমজমাট ছিল গুরু-শিষ্যের রসায়ন। পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার দুজনকে আলাদা করে দিয়েছে। খেলোয়াড়ি জীবনকে বিদায় জানিয়ে ল্যাম্পার্ড দায়িত্ব নিয়েছেন চেলসির। তার গুরু মরিনহো স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন টটেনহাম হটস্পারে।

olivier giroud chelsea 2020

আজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে পুরনো গুরু-শিষ্য মুখোমুখি হয়ে গেলেন। যেখানে জিতলেন শিষ্য ল্যাম্পার্ড। লন্ডন ডার্বিতে ল্যাম্পার্ডের চেলসি ২-১ গোলে হারিয়ে দিল মরিনহোর টটেনহামকে। লিগের চলতি পশ্চিম পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটির এটা ১৩তম জয়। দুর্দান্ত এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার চার নম্বর জায়গাটা ধরে রাখল চেলসি।

২৭ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট ব্লুজদের। চারে ওঠার সুযোগ হাতছাড়া করা টটেনহামের পয়েন্ট ৪০। লিগে এনিয়ে নয় ম্যাচে হারল মরিনহোর দল। টটেনহাম ড্র করেছে সাত ম্যাচে। জিতেছে ১১টিতে। ২৬ ম্যাচ খেলে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি শিরোপা সুবাস পাচ্ছে শীর্ষে থাকা লিভারপুল। দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি তাদের চেয়ে ২২ পয়েন্ট পিছিয়ে আছে।

স্কোর লাইন দেখে মনে হতে পারে লন্ডন ডার্বি লড়াইটা রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে। বাস্তবে তা নয়। ম্যাচটা হেসে খেলেই জিতেছে স্বাগতিক চেলসি। ঘরের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে তিনটি গোলই করেছেন স্বাগতিক ফুটবলাররা। তবে একটি গোল চেলসির বিরুদ্ধে গেছে। ১৫ মিনিটে অলিভার জিরার্ডের গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা।

বিরতি থেকে ফিরেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মার্কোস আলোনসো। ২-০ গোলে হারতে বসেছিল টটেনহাম। গোলটার আর শোধ দিতে পারেনি স্পার্সরা। পারবেই বা কীভাবে; আক্রমণভাগের দুই সারথি হ্যারি কেন ও সন হিয়ুং-মিন যে চোট নিয়ে লম্বা সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন!

এই দুজনের অভাবটা মহারণের দিন হাড়ে হাড়ে টের পেল টটেনহাম। হারের ব্যবধান উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি কমিয়েছে উপহারসূচক আত্মঘাতী গোলে। ৮৯ মিনিটে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে ফেলেন চেলতি তারকা অ্যান্তনিও রুদিগার। যদিও এই গোলে কোনো ক্ষতি হয়নি লিগের প্রাক্তন চ্যাম্পিয়নদের।