advertisement
আপনি দেখছেন

জাতীয় দল আর্জেন্টিনা এবং ক্লাব নাপোলি দুটোতেই সমানভাবে সফল ছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা। দুই দলেই সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় ছিয়াশির বিশ্বজয়ের নায়ক। কিন্তু তার মতো হতে পারছেন না উত্তরসূরি লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন সেনসেশন ক্লাব ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সবকিছু জিতলেও জাতীয় দলের হয়ে এখনো তার অর্জনের খাতাটা শূন্য।

diego maradona lionel messi argentina

মেসি সর্বকালের সেরা ফুটবলার কিনা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু এটাই। এই বিতর্কের মধ্যেই পূর্বসূরিকে বর্তমান বিশ্বের সেরা ফুটবলার বলে দাবি করলেন ম্যারাডোনা। মঙ্গলবার রাতে আর্জেন্টিনার সাবেক অধিনায়ক বলেছেন, ‘লিও (লিওনেল মেসি) এভাবেই খেলে যাবে এবং ও নিজেও এটা জানে ও-ই এই মুহূর্তে ফুটবল বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়। আর্জেন্টিনায় লিওর প্রতিটি ম্যাচই দেখতে আমার ভালো লাগে।’

ম্যারাডোনার ভালো লাগে নাপোলির সাফল্য দেখতে-ও। তার সাবেক ক্লাব কাল রাতে বার্সেলোনার মুখোমুখি হয়েছে। তিনি আশাবাদী ছিলেন উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের মহারণে জিতবে নাপোলি। ইতালিয়ান ক্লাবটি জয়ের পথেই ছিল। কিন্তু অ্যান্তনিও গ্রিজম্যানের গোলে জয়বঞ্চিত হয় নাপোলি; নিরাশ হতে হলো ম্যারাডোনাকে।

ঘরের মাঠে নাপোলি জিততে পারেনি। মৌসুমের শুরু থেকেই নিজেদের হারিয়ে খুঁজছে দলটি। অথচ এই নাপোলিই এক সময় ক্লাব ফুটবল দুনিয়াকে শাসন করেছিলেন। ওই সময়ে ইতালিয়ান জায়ান্টদের স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন ম্যারাডোনা। নাপোলিকে সম্ভাব্য সবকিছুই জিতিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

দীর্ঘ চার দশক পর সেই স্মৃতিতে কাতর হয়ে পড়লেন ম্যারাডোনা। বলেছেন, ‘আমি নাপোলিকে সবকিছু দিয়েছি। নাপোলিও ভালোবাসার দেখিয়ে আমাকে সবকিছু দিয়েছে। ওই সময়ে (১৯৮০-৮৯ মৌসুমে) এই দলটা এবং আর্জেন্টিনা দারুণ সময় কাটিয়েছিল। আমরা চ্যাম্পিয়নশিপ (ইতালিয়ান সিরি’এ লিগ), উয়েফা কাপ এবং বিশ্বকাপ জিতেছিলাম।’

ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় প্রতিযোগিতায় সেই সাফল্যের পর আর শিরোপা জিততে পারেনি নাপোলি। ট্রফি জয় তো দূরের কথা, সাম্প্রতিক কয়েক বছরে তো চ্যাম্পিয়নস লিগের মূলপর্বের টিকিটের জন্যও বেশ বেগ পেতে হচ্ছে তাদের।