advertisement
আপনি দেখছেন

সিগনাল ইদুনা পার্কে প্রথম লেগে ২-১ গোলে হার। দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে খেলতে হবে শূন্য গ্যালারিতে। বিগ ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই চাপে ছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। চাপটা উড়িয়ে দিলেন নেইমার। ঠিক সময়েই জ্বলে উঠলেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। বুধবার রাতে নেইমারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েছে পিএসজি।

psg celebration 2020 1

দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটল ফরাসি ফুটবলের রাজারা। পিএসজির উৎসবের মধ্যমণি হয়ে থাকলেন নেইমার। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন। পরে পিএসজির প্রায়সব আক্রমণে নেতৃত্ব দিয়েছেন নেইমার। তার এমন রূপটাই তো দেখতে চেয়েছিল ফরাসি ক্লাবটি!

বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাস আতঙ্ক। এ কারণে কাল রাতে পার্ক ডু প্রিন্সেসে কোনো দর্শক প্রবেশ করতে পারেননি। ফাঁকা গ্যালারি এবং প্রথম লেগে পিছিয়ে থাকা- দুইয়ে মিলে কিছুটা হলেও পিছিয়ে ছিল পিএসজি। কারণ ঘরের মাঠে খেলা মানেই সমর্থকদের পাশে পাওয়ার বাড়তি শক্তি। সেটা পায়নি টমাস টুখেলের দল। কিন্তু নেইমারদের পারফরম্যান্স আড়াল করে দিল দর্শকদের অনুপস্থিতি।

ব্রাজিলিয়ান সেনসেশনের গোলটাও ছিল চোখে লেগে থাকার মতোই। ২৮ মিনিটে অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়ার কর্নার কিক থেকে ডাইভিং হেড নেন নেইমার। বল আগুনের গোলা হয়ে ঢুকে যায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের জালে। বিরতিতে যাওয়ার আগেই দ্বিতীয় গোলটি পেয়ে যায় পিএসজি। পাবলো সারাবিয়া ক্রস থেকে আলতো ছোঁয়া ডর্টমুন্ডের জাল কাঁপান হুয়ান বার্নাট।

দুই গোল হজম করা বরুসিয়া ডর্টমুন্ড একটা শোধ দিতে পারলে লড়াইয়ে থাকতে পারতো। কিন্তু কাজটা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে ওঠে ৮৯ মিনিটে। নেইমারকে পেছন থেকে ফাউল করে সরাসরি লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ডর্টমুন্ডের জার্মান মিডফিল্ডার এমেরি কান। দশজনের দল নিয়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ডর্টমুন্ড।

কান শুধু ফাউল করেই ক্ষান্ত হননি। নেইমারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন ডর্টমুন্ড মিডফিল্ডার। এরপরই দুই দলের খেলোয়াড়রা জড়িয়ে পড়েন হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কিতে। ঘটনার জের ধরে নেইমারসহ পিএসজির তিনজন দেখেছেন হলুদ কার্ড। এমনকি চোট নিয়ে ডাগ আউটে গিয়ে বসা আর্জেন্টাইন উইঙ্গার ডি মারিয়া মারিয়াকে দেওয়া হয়েছে সাবধানী কার্ড।