advertisement
আপনি দেখছেন

টিটের অধীনে বদলে গেছে ব্রাজিল। তার অধীনে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ পরবর্তী ট্রাজেডি ভালোভাবেই কাটিয়ে উঠেছে সেলেকাওরা। গত বিশ্বকাপে তো শিরোপা জয়ের অন্যতম দাবিদার হয়ে উঠেছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। যদিও বেলজিয়ামের কাছে হেরে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল।

neymar psg 2019

টিটের দায়িত্বে ব্রাজিল ৭০ শতাংশ ম্যাচ জিতেছে। ম্যাচগুলোতে সেলেকাওরা নেইমার নির্ভর দল ছিল না। তবু গেল কয়েক বছরে ব্রাজিলের সিংহভাগ ম্যাচেই খেলেছেন পিএসজি সুপারস্টার। সেলেকাওদের হয়ে এ পর্যন্ত ১০১টি ম্যাচে ৬১টি গোল করেছেন তিনি। দেশের ফুটবল ইতিহাসে নেইমারই সর্বোচ্চ গোলদাতা।

২৮ বছর বয়সে বার্সেলোনা সাবেক স্ট্রাইকার ছাড়িয়ে গেছেন দেশের দুই কিংবদন্তি রোনালদো এবং পেলেকে। স্বাভাবিকভাবেই টিটে মেনে নিলেন দলের সেরা খেলোয়াড় নেইমার। কিন্তু দাবি করলেন তার শূন্যস্থান অপূরণযোগ্য নয়। সোমবার ব্রাজিল কোচ বলেছেন, ‘নেইমার দলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ওর শূন্যস্থান অপূরণীয় নয়।’

টিটের বলা কথাগুলো একেবারে অমূলক নয়। কারণ গত বছর নেইমারকে ছাড়াই কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছে। চোট আর ব্যক্তিগত বিতর্কের জেরে দক্ষিণ আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের আসরে খেলতে পারেননি পিএসজি প্রাণভোমরা। তার অনুপস্থিতি পুষিয়ে দিয়েছেন কুতিনহো-ফিরমিনো-কস্টারা।

এমনিতেই ব্রাজিল শক্তিশালী একটি দল। নেইমারের উপস্থিতি সেলেকাওদের শক্তিমত্তা বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ। তার কারণে পিএসজিও এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ক্লাবগুলোর একটি। এই তো কয়েক সপ্তাহ আগেও নেইমারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে পিএসজি।

সবমিলিয়ে এই মৌসুমে ফরাসি ক্লাবটির হয়ে ২২ ম্যাচে ১৮টি গোল করেছেন নেইমার। এ ছাড়া সতীর্থদের দিয়েও বেশ কটি গোল করিয়েছেন তিনি। এমন একজনের উপস্থিতি বিশ্বের যে কোনো দলকে শক্তিমত্তার চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছে দিতে পারে।