advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস পরবর্তী মাঠে ফিরলেও চেনারূপে দেখা যায়নি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। কোপা ইতালিয়ার সেমিফাইনাল ও ফাইনালে নিষ্প্রভ দেখা গেছে পর্তুগিজ যুবরাজকে। শেষ চারের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটাতে তো পেনাল্টি-ও মিস করে বসেন পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। সেই দুঃস্বপ্ন অনেকটাই পেছনে ফেললেন রোনালদো।

cristiano ronaldo celebration

ইতালিয়ান সিরি’এ লিগের নতুন শুরুর পর তিন ম্যাচের সবকটিতেই গোল করলেন পর্তুগিজ উইঙ্গার। তার দল জুভেন্টাসও যথারীতি জয়ের ধারায় থাকল। মঙ্গলবার রাতে পাওলো দিবালা, রোনালদো ও ডগলাস কস্টার গোলে হেসেখেলেই জেনোয়াকে হারিয়েছে তুরিনের বুড়িরা। প্রতিপক্ষের মাঠে জুভেন্টাস জিতেছে ৩-১ গোলে।

দারুণ এই জয়ে শিরোপা ধরে রাখার দীর্ঘ লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল জুভেন্টাস। ২৯ ম্যাচ ৭২ পয়েন্ট তুরিনের বুড়িদের। সমান ম্যাচে চার পয়েন্ট পিছিয়ে জুভদের ধাওয়া করছে লাৎসিও। এক ম্যাচ কম খেলে তাদের পেছনে আছে যথাক্রমে ইন্টার মিলান (৬১), আটালান্টা (৫৭), এএস রোমা (৪৮), নাপোলি (৪৫) ও এসি মিলান (৪২)।

dybala celebrates a goal 2020

জেনোয়ার মাঠে প্রথমার্ধে অবশ্য ভালোই বেগ পেতে হয়েছে জুভেন্টাসকে। বিরতির পর উচ্ছ্বাসের উপলক্ষ্য পায় অতিথিরা। একক প্রচেষ্টায় গোল করে জুভদের লিড এনে দেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার দিবালা। পাঁচ মিনিট পরই ২৫ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোনালদো। ৭৩ মিনিটে গোল উৎসবে যোগ দেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার কস্টা। তিন মিনিট পর জেনোয়ার হারের ব্যবধান কমান পিনামন্টি।

তবে জয়ের মধ্যমণি হয়ে থাকলেন কেবল রোনালদো। ইতিহাস গড়ার যে খুব কাছে চলে এসেছেন তিনি! আর এক গোল করলেই জুভেন্টাসের ৬০ বছরের ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়বেন পর্তুগিজ তারকা। ১৯৬০-৬১ মৌসুমে জুভদের হয়ে লিগের এক মৌসুমে ২৫ গোল করেছিলেন ওমর সিভোরি। দুই গোল হলেই তাকে টপকে যাবেন ‘সিআর সেভেন’।

sheikh mujib 2020