advertisement
আপনি দেখছেন

সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০১৮ সালে মৌসুম শেষে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার ঘোষণা দেন পর্তুগিজ যুবরাজ। ‘সিআর সেভেন’ চলে যান ইতালিয়ান ফুটবলে; নাম লেখান জুভেন্টাসে। তার চলে যাওয়াটা রীতিমতো বিশাল ধাক্কা হয়েই এসেছিল রিয়াল শিবিরে। দিশেহারা রিয়াল রোনালদোর শূন্যস্থান পূরণে মরিয়া হয়ে ওঠে।

lewandowski celebrations 2019 20

পর্তুগিজ সেনসেশনের জায়গায় বায়ার্ন মিউনিখ থেকে রবার্ট লেভানডফস্কিকে উড়িয়ে আনতে চেষ্টার কোনো ত্রুটি রাখেনি রিয়াল। পোলিশ স্ট্রাইকারও আগ্রহ দেখিয়েছিলেন স্প্যানিশ জায়ান্টদের প্রতি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে সিদ্ধান্ত পাল্টে ফেলেন লেভা। জার্মান ফুটবলেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এনিয়ে আক্ষেপ নেই তার।

বুধবার রাতে জার্মান গণমাধ্যম বিল্ডকে এমনটাই বললেন লেভা, ‘ওই সময় অনেক জল্পনা হয়েছিল। রিয়াল (মাদ্রিদ) দারুণ একটা ক্লাব। অবশ্যই ওখানে যাওয়ার বিষয়ে আমি ভেবেছিলাম। শেষ পর্যন্ত যাইনি। আমি এখানেই (বায়ার্ন মিউনিখে) থেকে যাই। এনিয়ে (রিয়াল মাদ্রিদে না যাওয়ায়) আমার কোনো দুঃখ নেই। আমরা এখানে একটা পরিবারের মতোই। আমি মিউনিখে সুখে আছি।’

bayern munich beat frankfurt

২০১৩ সালে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদকে একাই গুঁড়িয়েছিলেন লেভানডফস্কি। রিয়ালের জালে চারবার বল জড়ান পোলিশ সেনসেশন। এরপর থেকেই তাকে দলে টানার স্বপ্ন দেখতে থাকে রিয়াল। যা কয়েক দফা চেষ্টা করেও পূরণ হয়নি। ২০১৪ সালে ডর্টমুন্ডের কাছ থেকে লেভাকে কিনে নেয় বায়ার্ন মিউনিখ।

২০১৪ কিংবা ২০১৮ সালে রিয়ালে না গিয়ে খারাপ করেননি তিনি। বায়ার্নের হয়ে আগুনঝরা পারফর্ম করে যাচ্ছেন তিনি। বাভারিয়ানদের হয়ে এ পর্যন্ত ২৮৯ ম্যাচে ২৪০টি গোল করেছেন পোলিশ স্ট্রাইকার। চলতি মৌসুমেও ৪৯টি গোল এসেছে ৩১ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকারের কাছ থেকে। শারীরিকভাবেও দারুণ ফিট আছেন বায়ার্ন মিউনিখের প্রাণভোমরা।

নিজেকে এখন ২৭-২৮ বছরের মনে হচ্ছে লেভার। তিনি বলেছেন, ‘আগস্টে আমার ৩২ বছর হবে। কিন্তু নিজেকে ২৮ বা এরচেয়ে কম মনে হচ্ছে। আরো কয়েক বছর আমি এভাবেই সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবল খেলে যেতে চাই। এর মাধ্যমেই আমি সেরা সাফল্যটা পেতে চাই।’

sheikh mujib 2020