advertisement
আপনি দেখছেন

সেপ্টেম্বরের ১৯ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত মাঠে গড়ানোর কথা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হতে থাকায় শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত রাখা হয়েছে। গত ২৯ জুন সাফে অংশগ্রহণকারী ৭ দেশের সাধারণ সম্পাদকদের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

saff championship logoসাফ চ্যাম্পিয়নশিপ

এর আগের আসরটিও হয় বাংলাদেশে। পরের বারের আয়োজক তাই অন্য কোনো দেশের হওয়ার কথা। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বাফুফের সভাপতি কাজী মো. সালাহউদ্দিন চেষ্টা করেন এবারের আয়োজনটাও নিজেদের মাটিতেই করতে। শেষ পর্যন্ত সফলও হন তিনি। তাই কোনো বাধা থাকেনি বঙ্গবন্ধুর নামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজনে।

কবে হবে পিছিয়ে যাওয়া আসরটি- তা ঠিক হয়নি এখনো। তবে এই বছর যে হচ্ছে না সেটা নিশ্চিত। এজন্য নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসবেন সাফ কর্তারা। সেখানেই ঠিক হবে দিনক্ষণ। আগামী বছরের ১৭ মার্চ পর্যন্ত পালিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। এই সময়ের মধ্যে অবস্থার উন্নতি হলে কোনো কথা নেই। না হলে পিছিয়ে যাবে। তবে যখনই হোক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, তা হবে বঙ্গবন্ধুর নামেই।

kazi salahuddinকাজী মো. সালাহউদ্দিন

এ নিয়ে সংবাদ্যমকে কাজী মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বলেন, '২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর নামে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করবো। কারণ জাতির পিতার জন্যই এবারের আয়োজক হয়েছে বাংলাদেশ। তাই সেটা হোক ১৭ মার্চের আগে কিংবা পরে, বঙ্গবন্ধুর নামেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ করবো আমরা।'

সাফে এখন পর্যন্ত মাত্র একবারই চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-সবুজরা। ২০০৩ সালের সেবারের আসরটি বসেছিল ঢাকায়। তার পরের বার অর্থাৎ ২০০৫ সালেও ফাইনালে উঠে বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ হয় দলটি। এরপর থেকে দুর্দশা পিছু ছাড়েনি। প্রতিবারই বাদ পড়তে হয়েছে গ্রুপ পর্ব থেকেই। তবে ২০০৯ সালে নিজেদের মাটিতে সেমিফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ।

sheikh mujib 2020