advertisement
আপনি দেখছেন

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সৌন্দর্যটাই এখানে। কখন যে কী ঘটে যায় বলা মুশকিল। লিগের আগের রাউন্ডের কথাই ধরুন না। চ্যাম্পিয়নশিপ নিশ্চিত করার পরের ম্যাচেই ম্যানচেস্টার সিটির কাছে লিভারপুল বিধ্বস্ত হলো ৪-০ গোলে। সেই লিভারপুল অ্যাস্টন ভিলাকে ২-০ গোলে হারিয়ে তিন দিনের মধ্যে ফিরে এলো জয়ের পথে।

mane and keita

আর ম্যানচেস্টার সিটি? তারা এদিন হোঁচট খেল। রবিরাতে সাউদ্যাম্পটনের মাঠ থেকে ১-০ গোলের হার নিয়ে ঘরে ফিরে এলো পেপ গার্দিওলার সিটি। তাতে করে দুইয়ে থাকা সিটিজেনদের সঙ্গে লিভারপুলের পার্থক্য গিয়ে ঠেকল সেই ২৩ পয়েন্টে। ৩৩ ম্যাচে ৮৯ পয়েন্ট অল রেডদের। সমান ম্যাচে সিটির ৬৬ পয়েন্ট।

দুর্দান্ত জয় এবং সিটির হারে সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়াটা আরো সহজ হয়ে গেল লিভারপুলের জন্য। দরকার এখন চারটি জয়। লিগের ইতিহাসে রানার্সআপ দলটির সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৯ পয়েন্টের ব্যবধান রেখে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড গড়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। সেটা এখন ভেঙে যাওয়ার পথে। সিটির ১০০ পয়েন্টের রেকর্ডও ভেঙে যেতে পারে।

bernardo silva manchester city 2019 20

ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ড স্টেডিয়ামে জয়ের জন্য বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে লিভারপুলকে। অ্যাস্টন ভিলার বিরুদ্ধে দুই গোল পেলেও তা হয়েছে শেষের দিকে। ৭১ মিনিটে সাদিও মানের গোলে জয়ে ফেরার আভাস দেয় ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে কার্টিস জোনস ব্যবধান দ্বিগুণ করে। ঘরের মাঠে এনিয়ে টানা ১৭ ম্যাচে জিতল লিভারপুল।

অল রেডদের রাতে ছন্দপতন হলো ম্যানচেস্টার সিটির। সাউদ্যাম্পটনের মাঠে খেলা শুরুর দিকেই গোল হজম করে বসে তারা। সেন্ট মেরি স্টেডিয়ামে ম্যাচের ১৫ মিনিটে গোল করেন চে অ্যাডামস। ম্যাগপাইদের হয়ে লিগে এটা তার প্রথম গোল। গোলটার আর শোধ দিতে পারেনি সিটি। যার মাসুল সিটি কোচ পেপ গার্দিওলাকে গুণতে হলো কোচিং ক্যারিয়ারে প্রথমবার টানা তিনটি অ্যাওয়ে ম্যাচ হেরে!

sheikh mujib 2020