advertisement
আপনি দেখছেন

শুরু হয়ে গেছে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ। তবে ফ্রান্সের জন্য আসর শুরু হচ্ছে আগামী মঙ্গলবার। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ জার্মানি। কিন্তু মাঠে নামার আগেই গৃহযুদ্ধ শুরু করলেন ফ্রান্সের ফুটবলাররা। বলা হচ্ছে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও অলিভার জিরার্ডের কথা। এমবাপ্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে জিরার্ড বলেছিলেন, ‘আমি ডি-বক্সে সুবিধাজনক পজিশনে ছিলাম। কিন্তু এমবাপ্পে আমাকে পাস দেয়নি।’

kylian mbappe and olivier giroud

গণমাধ্যমে সতীর্থের এমন অভিযোগে হতাশ হয়েছেন পিএসজি সুপারস্টার। রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলনে অবধারিতভাবেই প্রসঙ্গটা উঠল। জবাবে এমবাপ্পে বলেছেন, ‘আমি অলিভার জিরার্ডের সঙ্গে কথা বলেছি। সবাই জানে কী হয়েছে। এটা ঠিক, সে অভিযোগ করায় আমাকে কিছুটা ভুগতে হয়েছে। কিন্তু এটা বড় কোনো ইস্যু নয়। কারণ আমরা এখানে (ইউরাতে) ফ্রান্সের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’

গত সপ্তাহে বুলগেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে ফ্রান্সে। ম্যাচের শেষ দিকে জোড়া গোল করেছেন জিরার্ড। প্রথমার্ধেই তার গোলের সুযোগ ছিল। কিন্তু এমবাপ্পে পাস দেননি তাকে। সেই হতাশা জোড়া গোলে ভুলেছেন জিরার্ড। ম্যাচ শেষে জয়ের নায়ককে ড্রেসিংরুমে অভিনন্দন জানিয়েছেন এমবাপ্পে। অথচ পরদিনই তার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের সামনে নালিশ জানান চেলসি ফরওয়ার্ড!

kylian mbappe france euro 2020 press conference

তাতে হতাশ এমবাপ্পে। বলেছেন, ‘সে কী বলেছে এটা নিয়ে আমি মাথা ঘামাচ্ছি না। আমি একজন স্ট্রাইকার এবং তার অনুভূতিটা এক ম্যাচে আমি ৩৬৫ বার বুঝি। ম্যাচ শেষে আমি তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। তখনো সে আমাকে কিছু বলেনি। এরপর আমি গণমাধ্যমে (অভিযোগ) শুনেছি। সে খারাপ কিছু বলেনি। কিন্তু প্রকাশ্যে বলাতে ব্যাপারটা ইস্যু হয়ে গেছে। সে আমাকে ড্রেসিংরুমে বলতে পারতো। যাহোক এটা কোনো সমস্যা না।’

দুই শিষ্যের দ্বন্দ্ব নিয়ে টেলিফুটকে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশাম বলেছেন, ‘অলিভার জিরার্ড কেন, যে কোনো স্ট্রাইকারই বলতে পারে তাকে বল দেওয়া হচ্ছে না। এটা কোনো সমস্যাই না। এটা নিয়ে কোনো আলোচনা বা বিতর্ক নেই। আমি দলের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা বলেছি। তবে আমাকে আজ বলতে হয়েছে , এমনকিছু করা যাবে না, যা আমাদের ইউরোতে মনোযোগ কমাতে পারে।’

আগামী মঙ্গলবার চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও তিনবারের ইউরোজয়ী জার্মানির মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। ১৯ জুন হাঙ্গেরির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ ফরাসিদের। এর চারদিন পর ‘এফ’ গ্রুপে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে পর্তুগালকে মোকাবেলা করবে গত আসরের ফাইনালিস্টরা। এবারের ইউরোতে এটাই ডেথ গ্রুপ। তিন চ্যাম্পিয়ন দলের যে কেউ বিদায় নেওয়ার আশঙ্কায় আছে।