advertisement
আপনি দেখছেন

অলিম্পিক গেমসে ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ছয়টি পদক পেয়েছে ব্রাজিল। কিন্তু হতাশার কথা হচ্ছে একবারই মাত্র স্বর্ণপদক জুটেছে সেলেকাওদের ভাগ্যে। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে এসেছিল অধরা সেই সাফল্য। নেইমারের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চতুর্থ ফাইনালে এসে বাজিমাত করেছে হলুদ শিবির।

dani alves brazil 1

এবার টোকিও অলিম্পিক ব্রাজিলের জন্য স্বর্ণপদক অটুট রাখার উপলক্ষ্য। এ যাত্রায় জাপানে মোটামুটি শক্তিশালী দল পাঠিয়েছেন দেশটির ফুটবলকর্তারা। দলটি খেলবে ৪০ বছর বয়সী দ্যানি আলভেজের নেতৃত্বে। ইনজুরির কারণে যিনি গেল সপ্তাহে শেষ হওয়া কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট খেলতে পারেননি।

কোপার মাঝপথে সুস্থ হয়ে উঠেছেন আলভেজ। বুধবার তার নেতৃত্বে টোকিওতে পা রেখেছে ব্রাজিল দল। অনুশীলনেও নেমে পড়েছে তারা। গ্রুপপর্বে তারা খেলবে জার্মানি, আইভরি কোস্ট ও সৌদি আরবের বিপক্ষে। এই চার দল নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ‘ডি’ গ্রুপ। আশা করা হচ্ছে ব্রাজিল হবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন।

tokyo olympic

বৃহস্পতিাবার জার্মানি, ২৫ জুলাই আইভরি কোস্ট ও ২৮ জুলাই সৌদি আরবের মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। তিনটি ম্যাচেই ফেভারিট সেলেকাওরা। কাগজে কলমে এবারের অলিম্পিকে সবচেয়ে শক্তিশালী দল তারা। আলভেজ ছাড়াও সেলেকাওদের দলে আছেন অভিজ্ঞ পাউলিনহো, রিচার্লিশন ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি।

মূলত অনূর্ধ্ব-২৩ দল খেলে থাকে অলিম্পিক ফুটবলে। তবে ২৩ বছরের বেশি সর্বোচ্চ তিনজন ফুটবলারের খেলার সুযোগ আছে। ব্রাজিল ফুটবলকর্তারা অভিজ্ঞদের মধ্যে আলভেজ, পাওলিনহোদের পাঠিয়েছেন।

টোকিও অলিম্পিকে ব্রাজিল দল: গোলরক্ষক: সান্তোস, ব্রেনো, লুকাও; ডিফেন্ডার: ডিয়েগো কার্লোস, রিকার্ডো গ্রাসা, গুইলহারমে আরানা, দ্যানি আলভেজ (অধিনায়ক), ব্রুনো ফুস, নিনো, আবনার; মিডফিল্ডার: গ্যাব্রিয়েল মেনিনো, ডগলাস লুইজ, ব্রুনো গুইমারেস, ম্যাথুস হেনরিক, রেইনার, ক্লাউদিনহো; ফরওয়ার্ড: পাওলিনহো, মাথুস কুনহা, রিচার্লিসন, অ্যান্তনি, ম্যালকম, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি।