advertisement
আপনি দেখছেন

স্ত্রী আমেলিয়া ইয়োরেন্তের প্রতি সহিংস আচরণের অভিযোগ ছিল লুকাস হার্নান্দেজের বিরুদ্ধে। তদন্তের পর এর সত্যতাও পাওয়া যায়। এরপরও আদালতের আদেশ অমান্য করেন বায়ার্ন মিউনিখ তারকা। এজন্য তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে মাদ্রিদের একটি আদালত।

lucas hernandezলুকাস হার্নান্দেজ

আগামী মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে হার্নান্দেজকে। যদিও এই রায়ের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আপিল করেছেন তিনি। স্বেচ্ছায় কারাগারে যেতে ১০ দিন সময় থাকবে, এমনকি পছন্দ মতো কারাগার বেছে নিতে পারবেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার।

২০১৭ সালে বিয়ের আগে ইয়োরেন্তের সাথে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন হার্নান্দেজ। আহত হওয়ায় হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে হয় ইয়োরেন্তেকে। তখন কেউ কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি। তবে তাদের দুইজনের বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন স্পেনের সরকারি কৌঁসুলি।

অভিযোগের ভিত্তিতে শাস্তি হিসেবে দুইজনকেই ৩১ দিনের জনসেবামূলক কাজ করতে বলা হয়। সেই সাথে হার্নান্দেজকে বান্ধবী ইয়োরেন্তের ৫০০ মিটার দূরে না যাওয়ার আদেশ দেয় আদালত। অবশ্য অতীত ভুলে খুব দ্রুত বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন হার্নান্দেজ-ইয়োরেন্তে জুটি।

বিয়ের পর মাদ্রিদে ফিরলে আইন অমান্য করার দায়ে গ্রেপ্তার করা হয় হার্নান্দেজকে। এরপর তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় মাদ্রিদের আদালত। এর বিরুদ্ধে আপিল করে হেরে যান অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ থেকে ২০১৯ সালে বায়ার্নে যোগ দেওয়া ২৫ বছর বয়সী খেলোয়াড়।