advertisement
আপনি দেখছেন

চলমান মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১২ ম্যাচ খেলেছে বার্সেলোনা। চ্যাম্পিয়নস লিগে মাত্র এক জয়ে ‘ই’ গ্রুপের তিনে এবং লা লিগায় টেবিলের নয় নম্বরে অবস্থান করছে তারা। তারচেয়ে বড় সমস্যা হল, এখনও নিজেদের জন্য একটি আদর্শ ফরমেশন খুঁজে পাননি কাতালানদের হেড কোচ রোনাল্ড কোম্যান।

barcelona formationএমন চিত্র এখন বার্সেলোনার নিত্যসঙ্গী

বায়ার্ন মিউনিখ, বেনফিকা, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ এবং রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে এই মৌসুমে চারটি কঠিন লড়াইয়ে বার্সেলোনা মাত্র একটি গোল করতে পেরেছে। গোলটি করেন গত জুনে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ক্যাম্প ন্যুতে যোগ দেওয়া আর্জেন্টিনার তারকা স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো।

মৌসুমে কঠিন চার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তিন ফরমেশনে খেলেছে বার্সা। এর মধ্যে বায়ার্ন মিউনিখ এবং বেনফিকার বিপক্ষে ফরমেশন ছিল ৩-৫-২। মূলত রক্ষণ ও মাঝমাঠের শক্তি বাড়াতে এই পরিকল্পনা করেন কোম্যান। দুটি খেলাতেই মেম্ফিস ডিপেই ও লুক ডি ইয়ং প্রথম একাদশে ছিলেন।

ronald koeman sad 2চলমান মৌসুমে রোনাল্ড কোম্যানের মুখে হাসি নেই

বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে ইউসুফ দেমির ও ফিলিপ্পে কুতিনহো মাঠে নামেন। অন্যদিকে বেনফিকা দ্বৈরথে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন আনসু ফাতি ও কুতিনহো। কোনো কিছুতেই কাজ হয়নি। এই দুই ম্যাচে একবারও জালে বল পাঠাতে পারেনি স্প্যানিশ লা লিগা জায়ান্টরা।

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচে ফরমেশনে পরিবর্তন আনেন কোম্যান। মাঠ সাজান ৪-২-৩-১ এ। আক্রমণভাগে ছিলেন শুধু ডিপেই। এই ডাচম্যানের পেছনে ছিলেন ফ্রেঙ্কি ডি জং, কুতিনহো ও গভিরা। পরে ফাতিকে নামানো হলে ৪-৩-৩ ফরমেশনে চলে যায় কাতালানরা।

রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে শুরু থেকেই ৪-৩-৩ ফরমেশনে খেলেছে বার্সা। এই ফরমেশন ব্যবহার করে ১০ বছর আগে কাতালান শিবিরে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন পেপ গার্দিওলা। এবারও দারুণ কিছু করার সুযোগ এসেছিল। তবে ম্যাচের ২৫ মিনিটে পোস্টের ওপর দিয়ে বল মারেন আমেরিকান তারকা ডিফেন্ডার সার্জিনো দেস্ত। এরপর আলাবা ও ভাসকেসের গোলে জয় নিশ্চত করে কার্লো আনচেলত্তির দল।