advertisement
আপনি পড়ছেন

সপ্তমবারের মতো ব্যালন ডি’অর পেয়েছেন লিওনেল মেসি। বিষয়টি নিয়ে তার নিজের মধ্যেও কিছুটা অস্বস্তি দেখা গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, রবার্ট লেভানডফস্কিই ছিলেন এই পুরস্কারের মূল দাবিদার।

messi ronaldo 1মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথ যেমন খেলায় তেমনি ছিল ব্যালন ডি’অর জয়েও

ব্যালন ডি’অরের সেই তালিকায় রোনালদো ছিলেন ছয় নম্বরে। বিষয়টি নিয়ে সিআরসেভেন এক প্রকার চুপই ছিলেন। কিন্তু একটি ফ্যানপেজে করা তার এক মন্তব্যে ফুটবল বিশ্বের এই দুই লিজেন্ডের মধ্যকার সম্পর্কই যেন আবার উঠে এসেছে।

সপ্তম ব্যালন ডি’অর নিয়ে অনেকের মন্তব্য, লেভানডফস্কিরই এ পুরস্কারটা পাওয়া উচিত ছিল। তার জায়গায় মেসির হাতে যাওয়ায় অন্যায় হয়েছে। কারণ, গত মৌসুমে মেসির চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন লেভানডফস্কি। 

messi ronaldo balon dorদীর্ঘদিন ধরে মেসি-রোনালদোর নাম উচ্চারণ হয় একই সাথে

এ নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর এক ফ্যানপেজ থেকে মেসির ব্যাপক সমালোচনা করা হয়। সেখানে লেখা হয়, মেসিকে ব্যালন ডি’অর দেওয়াটা লজ্জাজনক। যা হয়েছে, তা স্রেফ চুরি। মেসিকে ব্যালন ডি’অর দিয়ে প্রকৃতপক্ষে পুরস্কারটাকেই কলুষিত করা হল। সবাই জানে পুরস্কারটা কার প্রাপ্য ছিল।

আরো বলা হয়, এই মৌসুমে তেতাল্লিশটা গোল রয়েছে রোনালদোর। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পাঁচটা ম্যাচে সে ৬ গোল করেছে। বয়সও থামাতে পারেনি রোনালদোকে। দিনের পর পর দিন ফুটবলজাদুতে বিশ্বকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছেন তিনি। এই রোনালদোকে তালিকার ৬ নম্বরে? লেভানডফস্কিও অসামান্য সব কীর্তি গড়েছে। কিন্তু শেষমেষ পুরস্কার ওঠেছে মেসির হাতে। প্রত্যেকবার খারাপ মৌসুম কাটানোর পরও কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করে মেসিকে পুরস্কারটা দিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এসব কথা লেখা হয়েছে রোনালদোর ফ্যানপেজে। রোনালদো নিজ থেকে তাতে মেসিকে কিছুই বলেননি। কিন্তু এই ফ্যানপেজের তলায় গিয়ে এক জায়গায় তিনি লিখেছেন, ‘যা ঘটনা, তা-ই লেখা হয়েছে। ফ্যাক্ট।’

এরপরেই তোলপাড় পড়ে যায় বিশ্ব ফুটবলে। বলা হচ্ছে, এতদিন যে যুদ্ধটা চলত আড়ালে-আবডালে, মেসির সপ্তম ব্যালন ডি’অর জয়ের পর সেটাই বোধ হয় এবার প্রকাশ্যে চলে এলো।