advertisement
আপনি পড়ছেন

বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে হার এড়ালেই চলত বায়ার্ন মিউনিখের। দরকার ছিল এক পয়েন্টের। অপেক্ষা করতো হতো আরো কিছুদিন। তাকিয়ে থাকতে হতো নানা সমীকরণের দিকে। বাভারিয়ানরা অবশ্য ভক্তদের অপেক্ষায় রাখেনি। শনিবার রাতে বুন্দেসলিগায় মহাগুরুত্বপূর্ণ জার্মান ক্ল্যাসিকো জিতেই শিরোপা উৎসবে মেতে উঠল বায়ার্ন মিউনিখ।

bayern munich vs borussia dortmundবায়ার্ন মিউনিখের খেলোয়াড়দের উল্লাস

ঘরের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় গতকাল রাতে ডর্টমুন্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। এই জয়ে জার্মান বুন্দেসলিগায় টানা দশম শিরোপা জয়ের রেকর্ড গড়ল বাভারিয়ানরা। বায়ার্ন ছাড়া অন্য দল হিসেবে সবশেষ ২০১১-১২ মৌসুমে লিগ শিরোপা জিতেছিল ডর্টমুন্ড। এবার তাদের হারিয়েই শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠে লাল দুর্গ।

জার্মান লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবার রাতে তারা জিতেছে ৩১তম লিগ শিরোপা। সাফল্যের হিসেবে তাদের ধারেকাছেও কেউ নেই। দ্বিতীয় সফল যৌথভাবে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ও বরুসিয়া মনচেনগ্লাডব্যাচ। দুটি দলই পাঁচবার করে জার্মান লিগ জিতেছে। দ্বিতীয় দল শেষবার ট্রফি জিতেছিল ১৯৭৭ সালে। দুটি দলের অপেক্ষা অন্তত আরো এক মৌসুম বাড়িয়ে দিল বায়ার্ন।

bayern munich logoবায়ার্ন মিউনিখ

ঘরের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ এরিনায় ৩৪ মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ফেলে বায়ার্ন মিউনিখ। ১৫ মিনিটে লিড এনে দেন সার্জি জিন্যাব্রি। ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রবার্ট লেভানডফস্কি। এই গোলটার উৎস টমাস মুলার। বায়ার্নের উৎসবের রাতে দারুণ একটা রেকর্ড হয়েছে তার। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১১টি জার্মান লিগ জয়ের স্বাদ পেলেন তিনি।

৫২ মিনিটে এমেরি কান খুঁজে নেন বায়ার্ন মিউনিখের জালের ঠিকানা। এক গোলের শোধ দিয়ে লড়াইয়ে ফেরার একটা ইঙ্গিত দিয়ে ফেলেছিল বরুসিয়া ডর্টমুন্ড। সমতায় ফিরতে স্বাগতিকদের ভালোই চেপে ধরেছিল তারা। শেষ অবধি সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হওয়া ডর্টমুন্ড হজম করে আরো একটি গোল। ৮৩ মিনিটে বায়ার্নের জয়ের ব্যবধান বাড়ান জার্মান তরুণ তুর্কি জামাল মুসিয়ালা।

এই লিগে লিগের তিন ম্যাচ হাতে রেখেই শিরোপা অক্ষুণ্ন রাখল বায়ার্ন মিউনিখ। ৩১ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৭৫ পয়েন্ট। দুইয়ে থাকা বরুসিয়া ডর্টমুন্ড তাদের চেয়ে পিছিয়ে আছে ১২ পয়েন্টে। ৫৫ পয়েন্ট তিনে থাকা বায়ার লেভারকুজেনের। চারে থাকা লাইপজিগের সংগ্রহ ৫৪ পয়েন্ট। লাইপজিগের অবশ্য তিনে ওঠার সুযোগ ছিল। কিন্তু ঘরের মাঠে এগিয়ে থেকেও শেষ দিকে দুই গোল হজম করে ইউনিয়ন বার্লিনের কাছে হেরে বসে তারা।