advertisement
আপনি পড়ছেন

ইংল্যান্ডের চতুর্থ সারির ঘরোয়া ফুটবল প্রতিযোগিতা নিয়ে খুব একটা আগ্রহ নেই কারোরই। খোদ ব্রিটিশ মিডিয়াতেও ইংল্যান্ড লিগ টু টুর্নামেন্টের খবর প্রচার করা হয় না। কালেভদ্রে দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনাই কেবল পাদ প্রদীপে আনে। গত শনিবার রাতে তেমনই একটা ঘটনা ঘটল। যা হার মানাতে পারে আপনার কল্পনা শক্তিকেও।

crazy scenes in english footballঅলৌকিক এক জয়

৪৬ রাউন্ডের লিগে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ফরেস্ট গ্রিন। তাদের সঙ্গে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেও শিরোপা জিততে পারেনি এক্সেটার সিটি। সমান ম্যাচ ও পয়েন্ট সিটিরও। কিন্তু সাত গোল বেশি করায় মুকুট পেয়েছে ফরেস্ট গ্রিন। দুটি দলই ইংলিশ লিগ ওয়ানে উন্নীত হয়েছে। তৃতীয় দল হিসেবে অপেক্ষায় ছিল নর্দাম্পটন টাউন।

৪৬ ম্যাচে ৮০ পয়েন্ট নর্দাম্পটনের। তিনে উঠতে হলে ব্রিস্টল রোভার্সের শুধু জিতলেই চলবে না, গোল করতে হবে অন্তত সাতটি। অলৌকিকভাবে সাত গোলই করল রোভার্স! গতকাল রাতে স্কানথোর্পের বিপক্ষে ৭-০ গোলের অবিশ্বাস্য জয় তুলে নিয়েছে তারা। প্রথমার্ধে দুই গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরো পাঁচবার উদযাপন করেছে রোভার্স।

crazy scenes in english football 01হার মানাতে পারে আপনার কল্পনা শক্তিকেও

১৮ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে উৎসবের শুরু; শেষ হয় ৮৫ মিনিটে। তাতেই রূপকথার প্রত্যাবর্তনের ষোলো আনা পূরণ হলো। আর কপাল পুড়ল নর্দাম্পটনের। রোভার্স ছয় গোল করলেও লিগ ওয়ানে প্রমোশন হতো তাদের। সেটা না হওয়ায় লিগ টুতেই থাকতে হচ্ছে নর্দাম্পটনকে। আর লিগ ওয়ানে উঠে গেল ব্রিস্টল রোভার্স।

৪৬ ম্যাচে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে থেকে মৌসুম শেষ করল রোভার্স। তাদের সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও চারে নেমে গেছে নর্দাম্পটন। দুই দলের গোল গড় অবশ্য সমান ২২। কিন্তু রোভার্স গোল করেছে ৭১টি। আর তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীর গোল ৬০টি। রোভার্স হজম করেছে ৪৯টি। নর্দাম্পটনে জাল কেঁপে উঠেছে ৩৮ বার। কিন্তু কম গোল হজম নয়, বেশি গোল করায় বাজিমাত করেছে রোভার্স।