advertisement
আপনি পড়ছেন

ডিয়েগো ম্যারাডোনা-উত্তর যুগে আর্জেন্টিনা যে দুটি শিরোপা জিতেছে দুটিরই অন্যতম নায়ক অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া। তার গোলেই ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আকাশি-নীল জার্সিধারীরা জিতেছে কোপা আমেরিকার মুকুট। এরপর ইতালির বিপক্ষে গোল করে আন্তঃমহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের মালা পরান দলকে। আর্জেন্টিনার সবশেষ অলিম্পিক স্বর্ণ জয়ের ফাইনালেও গোলদাতা ছিলেন ডি মারিয়া।

angel di maria argentina 2022দুশ্চিন্তায় ফেললেন ডি মারিয়া

অথচ এমন একজন কিনা বছরের প্রান্তসীমায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপ দলে অনিশ্চিত! নাহ, বড় কোনো চোটে পরেননি ডি মারিয়া। তবু আশঙ্কার কথা শোনালেন তিনি। কারণটা তার বয়স এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যত। আর্জেন্টাইন উইঙ্গারের বয়স এখন ৩৪। একজন ফুটবলারের জন্য বয়সটা মোটেও আদর্শ নয়। তা ছাড়া সাত বছর পর প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) ছাড়তে হচ্ছে তাকে।

ডি মারিয়াকে দলে টানতে চাইছে বার্সেলোনা এবং জুভেন্টাস। আর্জেন্টাইন ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালও আগ্রহ প্রকাশ করেছে তাকে নিয়ে। শেষ অবধি তিনি কোথায় যান তা জানা যাবে আগামী মাসের মধ্যেই। কিন্তু নতুন ক্লাবে গিয়ে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নিয়ে পারফর্ম করাটা সহজ নয়। আর ক্লাব মৌসুম শুরুর চার মাস পরই বিশ্বকাপ! এ কারণে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দলে নিজের উপস্থিতি কঠিন দেখছেন ডি মারিয়া।

এর আরেকটা কারণ, আর্জেন্টিনা দলে এখন তরুণ ফুটবলারের অভাব নেই। আশার কথা হচ্ছে কোপা আমেরিকা জয়ের পর থেকেই দলের একাদশের নিয়মিত ফুটবলার ডি মারিয়া। তবু প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির ইচ্ছের ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। তার বিশ্বকাপ দলে অধিনায়ক লিওনেল মেসি ছাড়া আর কারোরই নিশ্চয়তা দেখছেন না এই উইঙ্গার। এমনকি নিজেকে নিয়েও অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তিনি।

শুক্রবার রাতে টিনঅ্যান্ডটি স্পোর্টসে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে ডি মারিয়া বলেছেন, ‘একমাত্র মেসিরই বিশ্বকাপ দলে থাকা নিশ্চিত। বাকিদের কথা বলতে পারব না।’

ডি মারিয়া বলতে চাইলেন না তার পরবর্তী গন্তব্যের কথাও। বার্সা ও জুভেন্টাস নিয়ে তিনি শুধু বললেন, ‘জুভেন্টাস ইতালির সবচেয়ে বড় ক্লাব। তারা আমার প্রতি আগ্রহী। আমি এখন ভাবছি এবং পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাচ্ছি। বার্সেলোনা বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাব হলেও সবসময় আমি তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলেছি।’