advertisement
আপনি পড়ছেন

নতুন মৌসুম শুরুর আগে রিয়াল মাদ্রিদ দলে টেনেছে অ্যান্তনিও রুদিগার ও আরিলিয়েন চৌমেনিকে। তাদের আগমনে রিয়ালে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে মার্কো অ্যাসেনসিও ও ড্যানি কেবালসের ভবিষ্যত। দুজনই থাকতে চান সান্তিয়াগো বার্ন্যাবুতে। আসলে রিয়ালের মতো বিশ্বসেরা ক্লাব কেইবা ছাড়তে চায়! কিন্তু এই চাকচিক্য নিয়ে রিয়ালে আর পড়ে থাকতে চান না মারিয়ানো দিয়াজ।

mariano diaz real madridরিয়াল ছাড়তে চান দিয়াজ

দলবদলের ইচ্ছের কথা রিয়াল মাদ্রিদকে জানিয়ে দিয়েছেন স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড। অনেকটা হতাশা থেকেই ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দিয়াজ। কারণ রিয়ালের শুরুর একাদশে তার জায়গা মেলে না। একাদশে প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির পছন্দ করিম বেনজেমা ও ভিনিচিয়াস জুনিয়রকে।

তাদের অনুপস্থিতি, ইনজুরি কিংবা বিশ্রামই কেবল সুযোগ তৈরি করে দেয় দিয়াজকে। কিন্তু এভাবে উপেক্ষার পাত্র হয়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্লাবে থাকতে চান না ২৮ বছর বয়সী উইঙ্গার। একাদশে নিয়মিত সুযোগ পাওয়ার জন্যই দলবদল করতে চান তিনি। দিয়াজের সিদ্ধান্ত নিয়ে রিয়াল এখানো কিছু জানায়নি।

দিয়াজের ক্যারিয়ার শুরুর অধ্যায়টা বেশ চমকপ্রদ। স্পেনের কয়েকটি বয়সভিত্তিক দলে খেলার পর বার্সেলোনায় যোগ দেন তিনি। এরপর নাম লেখান রিয়াল মাদ্রিদ যুব দলে। কিন্তু পেশাদার ফুটবলে তার অভিষেক আবার বার্সার জার্সিতে! এরপর আবার রিয়াল ফেরা। রিয়াল মাদ্রিদ সি, বি দলে খেলার পর ২০১৬ সালে মূল দলে অভিষেক।

কিন্তু এক মৌসুম খেলেই ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিঁওতে চলে যান দিয়াজ। এক বছর পরই তাকে ফিরিয়ে আনে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রত্যাবর্তনের পর পাঁচ বছরে মাত্র ৪২টি ম্যাচ খেলেছেন দিয়াজ। টালমাটাল এই ক্যারিয়ার ভুলতে নতুন শুরুর স্বপ্ন দেখছেন তিনি। প্রশ্ন হচ্ছে, রিয়াল মাদ্রিদ তাকে ছাড়পত্র দেবে তো?

দিয়াজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারটাও অন্যদের চেয়ে একটু আলাদা। স্পেনে জন্ম এবং বেড়ে ওঠা হলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার অভিষেক হয় ডমিনিকান রিপাবলিকের হয়ে। ২০১৩ সালে জাতীয় দলের হয়ে প্রথম ও শেষ ম্যাচটি খেলেছেন তিনি। আসলে ক্লাব ফুটবলের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে।