advertisement
আপনি পড়ছেন

চীনের যে শহর থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো বিশ্বে, সেই উহানে ফের লকডাউন দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার শহরটিতে চারজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। এরপরই সেখানে লকডাউন দেওয়া হয়। এতে শহরটির অন্তত ১০ লাখ মানুষ কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে পড়েছেন। খবর বিবিসি।

wuhan lockdownউহানে লকডাউন

করোনাভাইরাস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে চীন। এর অংশ হিসেবে দেশজুড়ে চলছে গণহারে করোনা পরীক্ষা, কঠোর আইসোলেশন ও স্থানীয় লকডাউন। এতে অনেকাংশে সফলতা অর্জন করেছে চীন।

১ কোটি ২০ লাখ মানুষের শহর উহানেও নিয়মিত করোনা পরীক্ষা চালাচ্ছিল স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে বুধবার চারজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। তবে তাদের কোনো উপসর্গ ছিল না। এরপরই শহরটির জিয়াংজিয়া জেলায় লকডাউন জারি করা হয়।

wuhan sample testউহানে নমুনা পরীক্ষা

প্রসঙ্গত, চীনের উহান থেকে করোনার উৎপত্তি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এই শহর থেকেই করোনা মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে। তবে চীন শুরু থেকেই কঠোর নীতির কারণে করোনা মহামারি প্রতিরোধে অনেকটা সফল হয়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত মাত্র ২২ লাখ লোক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আর মারা গেছেন ১৪ হাজার ৭০০ জন। যদিও চীন সরকারের বিরুদ্ধে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গোপন করার অভিযোগ রয়েছে।

করোনা মহামারিতে বিশ্বে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এ পর্যন্ত ৯ কোটি ২৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে মারা গেছে ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৯৬৯ জন।

করোনা সংক্রমণের দিক থেকে দ্বিতীয় দেশ ভারত। দেশটিতে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৫৫ হাজার ১৯৭ জন। মারা গেছে ৫ লাখ ২৬ হাজার ১৬৭ জন। তবে মৃত্যু তালিকায় দ্বিতীয় ব্রাজিল। দেশটিতে মারা গেছে ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৭১ জন। সংক্রমনের শিকার হয়েছে ৩ কোটি ৩৭ লাখ ৩৩ হাজার।

ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যমতে, বিশ্বে এ পর্যন্ত ৫৭ কোটি ৮৬ লাখ ৩৩ হাজার ৫৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে মারা গেছে ৬৪ লাখ ১০ হাজার ৯৫০ জন।