advertisement
আপনি পড়ছেন

মিয়ানমারের নির্যাতিত মুসলিম রোহিঙ্গারা রাখাইন রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছেন প্রতিবেশী দেশগুলোতে। প্রাণে বাঁচতে অনেক রোহিঙ্গা এখন আশ্রয় নিচ্ছেন আরেক উত্তপ্ত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরে।

rohinga barma 3

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে এবং মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিলেও বর্তমানে তারা কাশ্মীরমুখী হতে বাধ্য হচ্ছে।

প্রতিবেদনে কাশ্মীরে আশ্রয় নেয়া দু’জন রোহিঙ্গা মিয়ানমারের সেনাবাহিনীদের বর্বরোচিত হামলার বর্ণনা দেন। ৭০ বছরের বৃদ্ধ মোহাম্মদ ইউনুস শরীরে সেনাবাহিনীর বুলেটের দাগ বয়ে বেড়াচ্ছেন।

তিনি জানান, তারা গত চার মাস আগে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতন থেকে বাঁচতে কাশ্মীরে পালিয়ে আসেন। রাখাইনে সেনা সদস্যরা তাদের সম্প্রদায়ের মেয়েদের সবার চোখের সামনেই ধর্ষণ করে, জীবন্ত মানুষ ও ঘর বাড়ি পুড়িয়ে দেয়, অনেককে কুঁপিয়ে হত্যা করে।

জম্মুতে পালিয়ে আসা ৪৫ বছরের শাহ আলম বলেন, ‘জম্মুতে আমি স্ক্র্যাপ ডিলারের হয়ে কাজ করি। আমার স্ত্রী এবং মেয়ে সন্তান গৃহকর্মীর কাজ করছে। আমাদের উপার্জন যদিও খুব সামান্য তবে এখানে আমরা নিরাপদে আছি।‘

জানা যায়, কাশ্মীরে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার বিশেষ কার্ডের ব্যবস্থা করেছেন। তবে কোন অনুমতি ছাড়াও অনেক রোহিঙ্গা অবস্থান করছে ভারত-পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে।

সম্প্রতি ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেন, 'এখন পর্যন্ত মিয়ানমার থেকে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার রোহিঙ্গা কাশ্মীরের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।'

শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া নিয়ে নানা সমালোচনা থাকায় এবং সম্প্রতি বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চলে বিদেশী জঙ্গিদের তৎপরতা সৃষ্টি হওয়ায় এসব শরণার্থীদের কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

আপনি আরও পড়তে পারেন

একদিনে ৫০ হাজার বিয়ে স্থগিত!

রোহিঙ্গা নির্যাতনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

নাগরিকত্ব দেয়া বন্ধ করলো যুক্তরাষ্ট্র

মিয়ানমারকে মালয়েশিয়ার হুঁশিয়ারি

পাক সেনাপ্রধান: ভারতের প্রতিটি হামলার দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে