advertisement
আপনি পড়ছেন

সাধারণত একটি ক্ষেপণাস্ত্রে একটি পরামাণবিক যুদ্ধাস্ত্র যুক্ত করার ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু আধুনিকায়ন করে সম্প্রতি চীন একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে, যেটাতে এক সাথে ১০টি পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্র যুক্ত করা যেতে পারে। ওয়াশিংটনভিত্তিক রাজনৈতিক ওয়েবসাইট ওয়াশিংটন ফ্রি বিকনে খবরটি প্রকাশ করা হয়েছে বৃহস্পতিবার।

china MISSILE

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন ধরনের কথা-বার্তা ও আচরণে এশিয়ার পরাশক্তিধর চীনের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অনেকের ধারণা, ট্রাম্প প্রশাসনকে নিজেদের ক্ষমতা বোঝাতেই চীনের অত্যাধুনিক এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা।

তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে চীন। তাদের মতে, এটা রুটিন মাফিক পরীক্ষা। চীনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এক সামরিক বিশেষজ্ঞ নাম না প্রকাশের শর্তে বলেছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ট্রাম্প প্রশাসনকে দেখানো জন্য নয়। চীনে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য সর্বোচ্চ পর্যায় অর্থাৎ সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের অনুমতি লাগে। আর এই অনুমতি এবং প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে কমপক্ষে এক বছর সময় লাগে। ফলে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর হুট করে এই পরীক্ষা চালানো সম্ভব নয়।

ওয়াশিংটন ফ্রি বিকনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মাসে ডিএফ-৫ নামের ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালিয়েছে চীন। দেশটির শানসি প্রদেশের তাইউয়ান মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। পরীক্ষার সময় ক্ষেপণাস্ত্রটিতে ১০টি নমুনা যুদ্ধাস্ত্র যুক্ত ছিল। এটি ১৪ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলা হয়েছে।