advertisement
আপনি পড়ছেন

সমুদ্রের প্রাণ বলা হয় তিমি মাছকে। কিন্তু সেই প্রাণই যদি সৈকতে আটকে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত দু:খের। সেই সঙ্গে প্রাণ-প্রকৃতির জন্যও সুখকর নয়। কিন্তু এমন ঘটনাই ঘটেছে। আজ ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে এসে প্রাণ হারালো প্রায় তিনশত তিমি মাছ।

whale died in newzelandনিউজিল্যান্ডের সমুদ্র সৈকতে মারা যাওয়া তিমিদের একাংশ

নিউজিল্যান্ডের সৈকতে প্রায় ৪০০-র বেশি তিমি এসে আটকে পড়েছিল। চড়ে আটকে পড়া তিমিগুলিকে বাঁচাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল স্বেচ্ছাসেবীরা। তখনি মারা যায় শত শত তিমি। দেশটির প্রাণী সংরক্ষণ দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা অ্যান্ড্রিউ ল্যামসন বলেন, 'দক্ষিণ দ্বীপের গোল্ডেন বে রিজিয়নের সৈকতে প্রায় ৪১৬টি তিমি মাছ আটকে যায়। এরপর বন দপ্তরের কর্মীরা ছুটে আসায় আগে অনেক তিমি মারা যায়। স্বেচ্ছাসেবী দলগুলোও তিমিগুলো বাঁচাতে গেলে মৃতের সংখ্যাটা বেড়ে যায়।

সৈকতে আসা তিমিগুলোর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ তিমিই মারা যায়। তবে বিকেল গড়িয়ে জোয়ার আসার মধ্যেই ১০০ টি তিমি আবারো সমুদ্রে ভেসে চলে যায়। কিছু তিমিকে পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হয়। যে তিমিগুলো শেষ পর্যন্ত বেঁচে ছিল তাদের অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না।

দেশটির বন দপ্তরের এক কর্মী জানান, সৈকতে অসংখ্যা তিমির মৃতদেহ পড়ে থাকায় জীবিত তিমিগুলিকে পানিতে ছেড়ে দেয়ার সময় অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয়। জীবিতদের সমুদ্রে ছেড়ে দেয়ার সময়ও অনেকে চোট পায়। তার ভাষ্য মতে, তিমিগুলি ছিল বৃহৎ সাইজের। জানা গেছে, এই অঞ্চলের পাইলট তিমিগুলি লম্বায় প্রায় ২০ ফুট।

নিউজিল্যান্ডের বন দপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল শনিবারও স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন দল সৈকতে গিয়ে দেখবে কোনও জীবিত তিমি আটকে আছে কি না। এই সমুদ্র সৈকতটি বিশ্বব্যাপী গোল্ডেন বেই নামে পরিচিত।