advertisement
আপনি পড়ছেন

সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানকে দায়ী করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া বক্তব্যে অসন্তুষ্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করেছে পাকিস্তান। একই সাথে দু দেশের মধ্যে সরকারি পর্যায়ের সফরও স্থগিত করেছে ক্ষুব্ধ ইসলামাবাদ। সদ্য নিযুক্ত পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা আসিফ এক বৈঠকে পাকিস্তানের সিনেটকে এ কথা জানিয়েছেন।

khawaja asif pak foreign minister

গত ২১ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আফগানিস্তান বিষয়ক নতুন নীতি ঘোষণার সময় ওই অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদ বিস্তারে পাকিস্তানের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, ‘পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে তাদের মনোভাব পরিবর্তন না করে তবে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে দেয়া সব ধরনের সহযোগিতা বন্ধ করে দেবে।’

পাকিস্তানকে সন্ত্রাসীদের জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প তার বক্তৃতায় ভারতের প্রশংসা করেন। ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে গতকাল ২৮ আগস্ট, সোমবার পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষের (সিনেট) সদস্যরা এক বৈঠকে মিলিত হন। ওই বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা আসিফের আমেরিকা সফরে গিয়ে আলোচনা করার বিষয়টি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

একই সাথে পাকিস্তানের নাগরিকদের বিক্ষোভের মুখে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালিস ওয়েলসের ইসলামাবাদ সফর স্থগিত করার অনুরোধ করেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে তার বিপরীতে ওয়েলসের সফর স্থগিত করে আফগান বিষয়ক চীনের বিশেষ দূত দেং সিজুনকে স্বাগত জানিয়েছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল ও আমেরিকার সাথে আলোচনা স্থগিত করার বিষয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে পাকিস্তান বিশেষ কোন বার্তা না দিলেও এ ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়ন সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।