advertisement
আপনি পড়ছেন

ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে উত্তর কোরিয়া- যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার শক্তির লড়াই। যুদ্ধের দামামা এই বুঝি বাজলো! উত্তর কোরিয়ার ওপর রীতিমতো পাল্টা চাপ দেয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পিয়ংইয়ংয়ের ক্রমাগত পারমাণবিক বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাবে কোরীয় উপদ্বীপের আকাশে হানা দিল মার্কিন স্টিলথ ফাইটার জেট ও বোমারু বিমান।

F35B us fighter

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, সোমবার উত্তর কোরিয়ার আকাশে চারটি এফ-৩৫ বি যুদ্ধ বিমান ও দুটি বি-১বি বোমারু বিমানের মহড়া দিয়েছে আমেরিকা। উত্তর কোরিয়ার ক্রমাগত হুমকির মুখে আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়া যৌথভাবে শক্তি প্রদর্শন করতেই এই সামরিক বিমান মহড়া চালিয়েছে। সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়া দেশটির ইতিহাসের সবচাইতে শক্তিশালী পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। এরপরই এই যুুদ্ধ বিমানের মহড়াকে আমেরিকার পাল্টা জবাব হিসাবেই মানা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি মহড়ায় অংশ নেয় দক্ষিণ কোরিয়ার এফ-১৫কে ফাইটার জেট। গত ৩১ অাগস্টও দুই মিত্র দেশ একইভাবে বিমানের মহড়া দেয়। পিয়ংইয়ংয়ে নানা ধরণের পারমাণবিক কার্যকলাপের পর দেশটিকে বারবার হুঁশিয়ারি দেয় আমেরিকা। গত একমাসে বেশ কয়েকবার মিসাইলের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে যাচ্ছে আমেরিকা।

সম্প্রতি ধ্বংসাত্মক হাইড্রোজেন বোমার সফল পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পাশাপাশি বিস্ফোরণের মাধ্যমে জাপানকে ডুবিয়ে দেয়ারও হুমকি দেয় পিয়ংইয়ং। এরপরই মার্কিন ‌যুক্তরাষ্ট্র বলে, পিয়ংইয়ং ‌যদি এসব ধ্বংসাত্নক মারণাস্ত্রের পরীক্ষা বন্ধ না করে তাহলে দেশটিকে ধ্বংস করে দেয়া হবে। বলা হচ্ছে, আজকের এই মহড়ার পর দুই দেশের মধ্যকার লড়াইয়ের আগুন আরো ধ্বংসাত্মক হয়ে জ্বলে উঠলো।